অপরাধ না করেও নিষিদ্ধ ছিলেন লঙ্কান ক্রিকেটার

স্পোর্টস ডেস্ক:: ২০১৮ সালে আরব-আমিরাতে টি-১০ লিগে ফিক্সিংয়ের জন্য অভিযুক্ত হন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার এক ক্রিকেটারকে। সব ধরণের ক্রিকেটেও নিষিদ্ধ করা হয় তাঁকে। তবে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের একটি স্বাধীন ট্রাইবুন্যালের রায়ে নিরাপরাধ প্রমাণিত হয়েছেন লঙ্কান ক্রিকেটার আভিস্কা গুনাবর্ধনে।

আইসিসির স্বাধীন ট্রাইবুন্যালের রায়ে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। এর আগেই ক্রিকেটে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। অপরাধ না করেও দুই বছরের বেশি সময় তিনি নিষিদ্ধ ছিলেন বাইশগজে।

আরব-আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড পরের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এনে আভিস্কাকে নিষিদ্ধ করে। আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট একটি স্বাধীন ট্রাইবুন্যাল গঠন করে বিষয়টি তদন্তে নামে। তদন্ত শেষে ট্রাইবুন্যাল অপরাধ খুঁজে পাননি আভিস্কার। তাঁকে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। ক্রিকেটে ফেরারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে লঙ্কান ওই ক্রিকেটার এখন থেকে বাইশ গজেও ফিরতে পাবরনে।

আইসিসি এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সোমবার দেওয়া আইসিসির স্বাধীন ট্রাইবুন্যালের রায়ে জানানো হয়, গুনাবর্ধনের ওপর আনা দুটি অভিযোগের কোনোটিরই প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আইসিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের উপর আপীলেরও সুযোগ আছে। বিবৃতিতে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘পুরো সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত পক্ষ সমূহের কাছে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আপিলের সুযোগও রাখা হবে।’

আরব-আমিরাত বোর্ড আভিস্কার বিরুদ্ধে অ্যান্টি করাপশন কোডের ২.১.৪ ও ২.৪.৫ আর্টিকেল অনুসারে দু’টি অভিযোগ আনে। ২.১. ৪ এর অধীনে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকে সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে ফিক্সিংয়ে জড়িত হওয়া, জড়িত হওয়ার জন্য কাউকে অনুপ্রেরণা দেয়া কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত হওয়ার অভিযোগ আসে।

২.৪.৫ আর্টিকেল এর অধীনে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সামনে পুরোপুরি তথ্য প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়া। সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের সামনে ফিক্সিং কিংবা কোনো অনৈতিক কাজে জড়িত হওয়ার প্রস্তাব, ইঙ্গিত বা কোনো সুযোগ আসার পর সেটা অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে জানাতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০