অলরাউন্ডার আল আমীনে জয় কুশিয়ারা রয়্যালসের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুই ওপেনার জুনিয়র সায়েম ও মইনুল দুর্দান্ত খেলছেন। দশম ওভারেই এমকেবি প্লাটুনের পঞ্চাশ পুর্ণ হলো। জয়ের জন্য মরিয়া প্লাটুনের লক্ষ্য তখন ইনিংস বড় করা। আল আমীন আর তা হতে দিলেন কই! ওই ওভারেই ২০ রান করা সায়েমকে ফেরালেন বোল্ড করে।  ওভারের শেষ বলেই আবার প্যাভিলিয়নে যেতে বাধ্য করলেন ২৮ রান করা মইনুলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে।

এরপর খেই হারিয়েছে এমকেবি প্লাটুন। ৬২ রানে তৃতীয় উইকেট যাওয়ার পর স্কোরবোর্ডে আরেকটি রান যোগ করতে না করতেই আরেক উইকেটের পতন। চাপে পড়া দলকে তখন কিছুটা সামলানোর চেষ্টা করলেন আসাদুল্লাহ গালিব ও রুম্মান আহমেদ। সে চেষ্টা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারল না। দলের রান যখন ৮২, তখন আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ব্যাটসম্যানরা। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ হলো না, কিন্ত উইকেটের জায়গায় যোগ হল একে একে তিন!

শেষে তানজিম হাসান সাকিবের ১১ বলে ১৫ রানের ইনিংসে প্লাটুন যেতে পেরেছে ১০৩ রান পর্যন্ত। যা যথেষ্ট হলো না কুশিয়ারা রয়্যালসের জন্য। তবে শুরুতে বেশ চাপেই তাদের ফেলে দিয়েছিলেন রবিউল ইসলাম রবি। ১১ রানে ওপেনার সায়েমকে ফেরানোর পর ২২ রানে অধিনায়ক ইমতিয়াজ হোসেন তান্নাও ফিরেছেন রবির বলে।

তান্নার ৬ ও সায়েমের ৭ রানের ইনিংসের পর তাজিদ ও জাকের আলী অনিকও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়া রয়্যালসকে এরপর টেনেছেন আবিদ ও আল আমীন। মুমিনুল, এনামুল হক জুনিয়র ও কামিল আহমেদ- তিন স্পিনার চেষ্টা করেছেন আবিদ-আল আমীনের জুটি ভাঙ্গতে। ম্যাচের ১৭তম ওভারে ভেঙ্গেছে তাদের ৩৪ রানের জুটি। পুরো ম্যাচে ৪ ওভারে ১ উইকেট নিতে এনামুলের ১৫ রান খরচ করতে হলেও মমিনুলের খরচ করতে হয়েছে ২৫টি রান, তাও মমিনুল তা দিয়েছেন ৩.১ ওভার বল করেই। আরেক  স্পিনার কামিল ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ১টি উইকেট।

আবিদের ৫০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস থেমেছে এমকেবি প্লাটুনের অধিনায়ক এনামুল হক জুনিয়রের বলে বোল্ড হয়ে। এক প্রান্তে তখনও ছিলেন আল আমীন, থেকেছেন ইনিংস শেষ হওয়া অবধি। তাকে রেখে অপর প্রান্তে মুক্তার আলী, ওয়াসিফ ফিরেছেন সাজঘরে। ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেয়া মাহবুবের সাথে নাঈমকেও এরপর আর নামতে হয়নি ব্যাটে। ১৭ বলে ২৪ রান করা আল আমীনকে অপর পাশে রেখে বাঁহাতি পেসার রুহেল ছয় মেরেই খেল খতম করেছেন।

এমকেবি প্লাটুনের রবিউল ইসলাম রবি ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে উইকেট নিয়েছেন দুইটি, রবির সমান খরচে সমান প্রাপ্তি আল আমীনেরও। পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে চারটি চারের মারে ছোট্ট হলেও গুরুত্বপুর্ণ ইনিংসে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ৩ উইকেটে জেতা কুশিয়ারা রয়্যালসের আল আমীন।

এমএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/রি/১১০