আম্পায়ারের উপর রাগ ঝাড়লেন ওয়ার্নার

স্পোর্টস ডেস্ক:: হাতের মুঠোয় থাকা জয় পাওয়া হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর করা ১৪৯ রানের জবাবে সানরাইজ হায়দ্রাবাদ থেমেছে ১৪৩ রানে। হেরে যাওয়া ম্যাচটিতে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে রাগান্বিত দেখা যায় হায়দ্রাবাদ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে।

হায়দরাবাদের ব্যাটিং ইনিংসের ১৮ ও ২০তম ওভারে বোলিং করেন হার্শাল প্যাটেল। তার করা এই দুই ওভারেই ছিল দুইটি কোমর উচ্চতার নো বল। ১৮ তম ওভারের চতুর্থ কোমল উচ্চতার নো বলটি মোকাবেলা করেন জেসন হোল্ডার। ইনিংসের শেষ ওভারের তৃতীয় বলটিও ছিলো কোমর উচ্চতার নো বল। এসময় ব্যাট করছিলেন রশিদ খান।

নিয়ম অনুযায়ী একটি ম্যাচে একজন বোলার কোমর উচ্চতার দু’টি নো বল করলে তাঁকে বিরত থেকে বিরত রাখা হয়। ম্যাচে দায়িত্বপালন করাতু আম্পায়াররা হার্শালের বিরুদ্ধে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। যার কারণে শেষ ওভারের সময় টিভিতে ওয়ার্নারকে বেশ ক্ষুব্ধ দেখা যায়।

টিভিতে দেখা যায়, ইনিংসের শেষ ওভারে দ্বিতীয় নো বলটির পর হার্শালকে বোলিং থেকে বিরত করার জন্য ডাগআউটে উচ্চস্বরে কথা বলছেন ওয়ার্নার। তবে আম্পায়াররা তার কথায় কর্ণপাত করেননি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওই দু’টি বল নিয়ে কথা বলেন সানরাইজ হায়দ্রাবাদের কোচ বেইলিস। তিনি বলেছেন, ‘সে (ওয়ার্নার) খানিকটা চিন্তিত ও রেগে ছিল কারণ আমরা তখন ভাল খেলছিলাম না এবং শেষ পর্যন্ত হেরে গেছি। আমার মতে, আম্পায়াররা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এখানে দ্বিতীয় নো বলটা ভয়ঙ্কর ছিল। তবে প্রথমটা ব্যাটসম্যানের শরীর বরাবর ছিল না। তাই সেটি কোনো সতর্কবার্তা পায়নি। তাই আমার মতে, আম্পায়াররা ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।’

হার্শাল তার করা ১৮ ও ২০তম ওভারের ওই দু’টি বল নিয়ে বলেন ‘আমি খুব ঘামছিলাম এবং তালুতে পর্যন্ত ঘাম চলে আসছিল। তবে অবশ্যই এটা কোনো অজুহাত হতে পারে না। এমন ভুল আর করা যাবে না। এগুলো একদমই বেসিক ভুল। চাপের মুহূর্তে এমন করার কোনো সুযোগ নেই।’

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০