ইনজুরিতে রেফারি, দুর্দান্ত এক ম্যাচ শেষে ফাইনালে আবাহনী

স্পোর্টস ডেস্ক:: কি ছিল না ম্যাচটিতে? ফুটবলের লড়াই, বাক যুদ্ধের লড়াই। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ। এগিয়ে যাওয়া, পিছিয়ে পড়া। ১৩ গোলের ম্যাচ, অতিরিক্ত সময়ে ইনজুরিতে পড়েন রেফারি, এক ম্যাচে দুই রেফারির ম্যাচ পরিচালনা শেষে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আবাহনী।

অসাধারণ, দারুণ এক ম্যাচ শেষে টাইব্রেকারে সাইফ স্পোটিংকে হারিয়ে ফাইনালে গেছে আবাহনী। ১৩ গোলের ম্যাচে টাইব্রেকারে আবাহনী ৪-৩ গোলের ব্যবধানে জিতে আকাশী নীলরা। নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে ‘ড্র’ থাকা ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে, অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমে আবারো সমতা। এবার ৩-৩ গোলের। এই সময়ে আবার ইনজুরিতে পড়েন রেফারি। মাঠে নামেন নতুন রেফারি।

১২০ মিনিট শেষেও এলো না ফলাফল। শেষ পর্যন্ত তাই টাইব্রেকারে গড়ালো ম্যাচ। এবার আর পারলো না সাইফ স্পোটিং ক্লাব। ৪-৩ ব্যবধানে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে আবাহনী লিমিটেড।

ম্যাচের ১০ম মিনিটেই আবাহনীকে এগিয়ে দেন রাফায়েল। এর মিনিট দশেক পরেই সাইফকে সমতায় ফেরান এমফোনে। ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধে। এগিয়ে থেকে বিরতিতে যেতে পারেনি কোনো দলই।অ

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ শুরু হলে ৭৩তম মিনিটে এমেকার গোলে এগিয়ে যায় সাইফ। জয়ের পথেই এগুচ্ছিলো দলটি। অতিরিক্ত সময়ে কলিন্দ্রেসের গোলে আবারো সমতায় ফেরে আবাহনী। ম্যাচের স্কোর লাইন তখন ২-২ গোলের। খেলা গড়ায় ইনজুরি টাইমে।
এবার রাকিব হোসেনের গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী।

ম্যাচের ৯৪তম মিনিটে আবাহনী এগিয়ে ছিলো ৩-২ ব্যবধানে। কিন্তুু শেষ পর্যন্ত আর সহজে জিততে পারেনি দলটি। ইনজুরিতে টাইমে সাইফের বদলী ফুটবলার সাজ্জাদ দলকে ফেরান সমতায়। ম্যাচের স্কোর লাইন হয় ৩-৩। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে গড়ানো ম্যাচে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে রহমতগঞ্জের সঙ্গী হয় আকাশী নীলরা।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০