এএফসি লাইসেন্সের জন্য আবেদন কলো বাংলাদেশের ৯ ক্লাব

স্পোর্টস ডেস্ক:: এএফসি ক্লাবে খেলতে হয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ হলেই চলবে না। ক্লাবগুলোর এএফসি লাইসেন্স করা থাকতে হবে। আগামি ২০২১ সালের জন্য এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের লাইসেন্সিংয়ের জন্য আবেদন করেছে বাংলাদেশের নয়টি ক্লাব।

বৃহস্পতিবার আবেদনের শেষ সময় ছিলো। প্রিমিয়ার লিগে খেলা চারটি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য আবেদন করেনি। ৯টি ক্লাব আবেদন করেছে। প্রিমিয়ার লিগ সমাপ্ত না হওয়ায় আগামি মৌসুমে এএফসি কাপে কোন ক্লাব খেলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস খেলবে। দ্বিতীয় দল কোন ক্লাব হবে তা নিয়েই চিন্তা-ভাবনা করছে বাফুফে।

এএফসি কাপে প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ দলগুলো খেলে থাকে। যেহেতু প্রিমিয়ার লিগ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, যার কারণে এবার বাফুফেকে নির্ধারণ করে দিতে হবে কারা খেলবে এএফসি কাপে। করোনাভাইরাসের উদ্ভুুত পরিস্থিতির কারণে এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন অবশ্য এবার নিয়মে কিছুটা ছাড় দিচ্ছে। ফেডারেশন তাই ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিযন বসুন্ধরা কিংসে খেলার অনুমতি দেবে। সঙ্গে ফেডারেশন কাপে রানার্সআপ হওয়া রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এএফসি লাইসেন্সের জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিলো। নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ থেকে আবেদন করেছে, আবাহনী, বসুন্ধরা কিংস, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব, শেখ রাসের ক্রীড়া চক্র, সাইফ স্পোটিং ক্লাব, রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ড সোসাইটি, উত্তর বারিধারা ক্লাব ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন।

আবেদন করেনি চট্টগ্রাম আবাহনী, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ও বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাব। যে সব ক্লাব এএফসির লাইসেন্স পাবে সেখানে থেকে একটি ক্লাবকে ২০২১ এএফসি কাপে খেলার অনুমতি দেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

বিষয়টি নিয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টাই করব যাতে এবারের মতো আগামী বছরও আমাদের দেশ থেকে দুটি ক্লাব এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পায়। আগে দেখা যাক আবেদন করা ৯ ক্লাবের মধ্যে কারা এএফসির লাইসেন্স পায়।’

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০