ক্ষেপে আছে ফ্র্যাঞ্চাইজি, আইপিএলে ‘ছায়া নিষেধাজ্ঞা’ পেতে পারেন লিটন-সাকিবরা!

0
165

স্পোর্টস ডেস্কঃ প্রতি বছরই একটা নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। তবে সেই সময়ে অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডের তুলনায় বাংলাদেশ জাতীয় দলের সিরিজ থাকে প্রায়শই। প্রতি বছরই তাই রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে থাকে এনওসি বা ছাড়পত্র ইস্যু। অন্যান্য দেশের থাকলেও, জামেলা পোহাতে হয়না। ক্রিকেটাররা ছাড় পান।

এবারের আসরেও ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশ থেকে তিন জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন আইপিএলে। তারা হলেন সাকিব আল হাসান, লিটন দাস ও মুস্তাফিজুর রহমান। এর মধ্যে সাকিব ও লিটন কলকাতা নাইট রাইডার্সে একসাথে খেলবেন। আর মুস্তাফিজ খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে। তবে ৩১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পুরো আইপিএলে খেলা হচ্ছে না সাকিব-লিটন-মুস্তাফিজদের।

আয়ারল্যান্ড সিরিজ থাকায়, পুরোটা সময় খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না এই তারকারা। যার ফলে বিরক্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) না ছাড়ায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের দলে নিয়ে ভবিষ্যতে দুই বার ভাববে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা। গেল আসরেও, মাঝপথে তাসকিন আহমেদ দল পেয়েছিলেন লখনৌ সুপার জায়ান্টসে। তবে তাকে ছাড়েনি টিম ম্যানেজম্যান্ট।

ভারতের গণমাধ্যমকে এক ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তা বলেন, ‘বিষয়টা এমন যে, আমরা তো বিসিসিআইকে অভিযোগ করতে পারি না! যে, তারা বোর্ডকে রাজি করায়। তবে পরবর্তী মৌসুম থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা অবশ্যই সতর্ক থাকবে তাদেরকে (বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের) দলে নেওয়ার ব্যাপারে।’

‘গতবার তাসকিনকে এনওসি দেয়নি, এবার সাকিবদের দিচ্ছে না! তারা (বিসিবি) যদি না চায় তাদের খেলোয়াড়রা অংশ নিক, তাহলে তাদের নিবন্ধন কেন করতে দেয়? তবে অবশ্যই এখন থেকে বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের নিয়ে আমাদের ধারণা পাল্টে যাবে।’ যোগ করেন সেই ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তা।

এই নিয়ে এক বিসিসিআই কর্তা বলেন, ‘এটি পুরোপুরি খেলোয়াড়দের ওপর যে, তারা কিভাবে তাদের বোর্ডকে রাজি করাবে। ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড বা অন্য দেশের খেলোয়াড়রা এই পথ খুঁজে বের করে নিয়েছে। তাদেরকে বোর্ডও কোনো বাঁধা দিচ্ছে না। আইপিএলের মান নিয়ে তো কোনো সন্দেহ নেই। আর তাদের বোর্ডও এর থেকে লভ্যাংশ পায়। এখন পুরো সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের ওপর।’

শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের নিয়েও ভাববেন ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। কেননা লঙ্কান বোর্ডও ক্রিকেটারদের ছাড়তে আপত্তি রয়েছে এবার। যার ফলে ভবষ্যতে এক প্রকার ‘ছায়া নিষেধাজ্ঞার’ কথা চিন্তা করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। অর্থাৎ, কোনো বাংলাদেশি বা শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার দলে না নেওয়ার।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here