‘জৈন্তাপুরের মেসি’

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি একটি ম্যাচে সর্বাধিক কতটি গোল দিতে পারেন? পরিসংখ্যান ঘেটেই তবে বলতে হবে। কিন্তুু তিনি কি এক ম্যাচে ছয়টি গোল দিয়ে ছিলেন কখনো? সেটিও হিসেব কষেই বলতে হবে। তবে অতদূর যাবার প্রয়োজন নেই। এমন একজন মেসি আছেন সিলেটের জৈন্তাপুরেই।

প্রতিযোগিতা মূলক ফুটবল টুর্ণামেন্টে একের পর চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন জৈন্তাপুরের মেসি মণি রাণী নাথ। আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মণি। বয়স ১০ বছর হবে। কিন্তুু এই বয়সেই সে পোক্ত ফুটবল খেলোয়াড়।

নান্দনিক পাসিং, জোড়ালো সর্ট, মাঠের টেকনিক সবই আছে মণির কাছে। তাইতো বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টে একের পর এক গোল করেই যাচ্ছে সে। যেনে গোল কন্যা মনি।

উপজেলা পর্যায়ে গোল বন্যা ছুটিয়ে এখন সে জেলা পর্যায়ে খেলছে। জৈন্তাপুর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালেয়র হয়ে এখন জেলা পর্যায়ে খেলছে মণিদের দল। মণির গোল বন্যায় আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আজ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্টিত হবে।

গ্রুপ পর্বে মণি প্রথম ম্যাচে একাই করেছে ৬টি গোল। সবাই মিলে প্রতিপক্ষ কানাইঘাট উপজেলা চ্যাম্পিয়ন স্কুলকে দিয়েছে ১০টি গোল। বিপরীতে গোল শুন্য প্রতিপক্ষ।

মণি দ্বিতীয় ম্যাচে জকিগঞ্জ উপজেলা চ্যাম্পিয়ন সদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জালে দিয়েছে ৫টি গোল। সবাই মিলে দিয়েছে ৯টি গোল। জকিগঞ্জও মণিদের জালে কোল বল জড়াতে পারেনি।

তৃতীয় ম্যাচে সেমিফাইনালে সিলেট সিটি চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী কানিসাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপক্ষে মণি করেছে একটি গোল। পরপর তিন দিন টানা ম্যাচ খেলায় ক্লান্ত মেসি হয়তো কানিশাইলের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারেনি।

বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টের জেলা পর্যায়ে ৩টি ম্যাচেই মণি গোল করেছে ১২টি। মণি ঝলকে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মণি জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্ডি গ্রামের শৈলেন দেব নাথের মেয়ে। সে এবার পিসএসি পরীক্ষা দেবে।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/০০