জয়ের বিধ্বংসী ইনিংস ম্লান করে মাহমুদউল্লাহদের সহজ জয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এবারের ডিপিএলের প্রথম দিনেই ৭৮* রানের জ্বলজ্বলে ইনিংস খেলেছিলেন ওল্ড ডিওএইচএসের মাহমুদুল হাসান জয়। দারুণ এই ইনিংসের পর মাঝে একটি যথাক্রমে ১৫, ৩৪ ও ২৯* রানের ইনিংস খেলেছিলেন যুবা বিশ্বকাপজয়ী এই ক্রিকেটার। এরপরই আজ আবার ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন এই ক্রিকেটার।

তবে নাসুম-মুগ্ধদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দলের বাকি কেউ আর দাঁড়াতে না পারায় অল্প রানেই থামতে হয় ডিওএইচএসকে। বিপরীতে সৌম্য-মেহেদী-মাহমুদউল্লাহ-মুমিনুল-ইয়াসিরদের ব্যাটে সেই লক্ষ্য সহজেই টপকে যায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ৬ উইকেটের বড় জয়ে এখন পয়েন্ট টেবিলের সাতে অবস্থান করছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি। ম্যাচ গাজী গ্রুপ জিতলেও ম্যাচ সেরা হয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

ঢাকার মিরপুরে হোম অব ক্রিকেটে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৬ রান সংগ্রহ করতে পারে ডিওএইচএস। টপ অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে এক জয়ই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। দলের ইনিংস শেষে অপরাজিত থাকেন ব্যক্তিগত ৮৫ রানের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে।

মিরপুরে এদিন ছক্কাবৃষ্টি শুরু করেন জয়। ৫৫ বলে ১৫৪.৫৪ স্ট্রাইক রেটে এই তরুণ তুর্কির ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ বাউন্ডারি আর ৭ ছক্কায়। জয় ব্যতীত ডিওএইচএসের হয়ে আর মাত্র দু’জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রানের কোটা স্পর্শ করতে পেরেছেন। এর মধ্যে লোয়ার অর্ডারে নামা আলিস আল ইসলাম দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

গাজী গ্রুপের হয়ে দারুণ বোলিং করেছেন নাসুম আহমেদ। ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এছাড়া মুগ্ধ ২৭ রানে ১টি উইকেট লাভ করেছেন। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ, তারেক ও মুমিনুল।

১৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী হাসানের ১০ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ২২ রানের ঝড়ো ইনিংসে শুরুটা ভালো হয় গাজী গ্রুপের। তবে মেহেদী ফিরে যাবার পর থেকেই ধীর-স্থির ভাবে খেলতে থাকে গাজী গ্রুপ। সৌম্য আর মুমিনুলের দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ রানের জুটি দলের জয়ের পথ সুগম করে দেয়। মুমিনুল ফেরেন ৩৪ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৭ রানের ওয়ানডেসুলভ ইনিংসে।

টানা দুই ম্যাচে ফিফটি হাঁকানোর পর আজ ৩৫ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৭ ইনিংসের খেলে দ্রুতই ফিরে যান সৌম্য সরকার। এরপর জয়ের খুব কাছে এসে ফিরে যান ১৮ বলে ১ ছক্কায় ১৯ রান করা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও। তবে ১৮ বলে ১ ছয় ও ১ চারে ২৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ৫ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির আলি চৌধুরি রাব্বি।

ডিওএইচএসের হয়ে ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট লাভ করে দলের সেরা বোলার রাকিবুল ইসলাম। এছাড়া মাত্র ১৮ রান খরচ করে ১টি উইকেট লাভ করেন আলিস আল ইসলাম।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/সা