নিজস্ব প্রতিবেদক: আবারও হারল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চলতি বিপিএলে টানা ষষ্ঠ ম্যাচে হারের স্বাদ পাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কাগজে কলমে প্লে অফের আশা এখনও বেঁচে আছে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে খুবই সামান্যই।
বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে টানা ষষ্ঠ হারের মুখ দেখল নোয়াখালী। এর ফলে বিপিএল ইতিহাসে টুর্নামেন্টের শুরুতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হারের নিজেদেরই রেকর্ড আরও এক ধাপ বাড়াল নোয়াখালী।
নোয়াখালীর করা ১৫১ রান রাজশাহী পেরিয়ে গেছে এক ওভার হাতে রেখেই। জয়ের নায়ক আরব আমিরাতের মুহাম্মদ ওয়াসিম। রানআউট হওয়া এই ওপেনারের ৩৫ বলে ৬০ রানের ইনিংসই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। ৪টি চারের পাশাপাশি ৪টি ছয়ও হাঁকিয়েছেন তিনি। বাকিদের মধ্যে তানজিদ হাসান তামিম ২১, মুশফিকুর রহিম ১৯ ও রায়ান বার্ল ১৯ রান করেন। নোয়াখালীর হয়ে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন মেহেদী হাসান রানা। একটি করে উইকেট পান হাসান মাহমুদ ও মোহাম্মদ নবি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। প্রতিটি ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও একাদশে পরিবর্তন আনেন নোয়াখালীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। প্রথমবার একাদশে সুযোগ পান শাহাদাত হোসেন দিপু। সেটি কাজেও লাগিয়েছেন তিনি। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমে টুর্নামেন্টে প্রথমবার পঞ্চাশ পেরোনো জুটি এনে দেন নোয়াখালীকে। একই সঙ্গে এই প্রথম পাওয়ার-প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি নোয়াখালী।
সপ্তম ওভারের শেষ বলে দিপু ফিরলে ভাঙে ৫৭ রানের জুটি। ২৮ বলে ৩০ রান করেন তিনি। তিন নম্বরে নেমে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি মাজ সাদাকাত, ১৩ বলে ৭ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর শিকার হন তিনি। একপ্রান্ত আগলে রাখা সৌম্য এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে। তবে সেটি বেশিক্ষণ টিকেনি। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৪৩ বলে জার্সি নম্বরের সমান ৫৯ রান করে ফেরেন সৌম্য।
এরপর নবী ২৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে দেড়শ পার করা পুঁজি এনে দেন। মাঝখানে আবারও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৫ বলে ১০)। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিপন মন্ডল। একটি করে উইকেট গেছে হাসান মুরাদ, শান্ত আর বিনুরা ফার্নান্দোর ঝুলিতে।






























