দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফিরলেন হৃদয়

0
52

স্পোর্টস ডেস্ক::দুর্দান্ত, অসাধারণ এক ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরলেন তাওহীদ হৃদয়। তার বিদায়ে ভাঙলো চতুর্থ উইকেটে ১৩১ রানের জুটি। তামিম, লিটন, সাকিবের পর চতুর্থ উইকেটে ফিরেছেন এই তরুণ ব্যাটার। তার আগে দারুণ এক হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।

আয়ারল্যান্ডের হ্যারি ট্যাক্টরের সেঞ্চুরির জবাব সেঞ্চুরি দিয়েই দিয়েছেন বাংলাদেশের নাজমুল হোসেন শান্ত। হৃদয়কে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তিনি এগুচ্ছিলেন জয়ের দিকেই। ‘বিস্ফোরক’ ইনিংসে শান্ত শতক হাঁকিয়েছেন । সেঞ্চুরিয়ান এই ব্যাটারকে সঙ্গ দেওয়া তাওহীদ হৃদয় হাফ সেঞ্চুরি করেই ফিরেন প্যাভেলিয়নে।

টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই ফিরলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলীয় ৯ রানে ব্যক্তিগত ৭ রানে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। এরপর শান্তকে নিয়ে ইনিংস বড় করার চেষ্টায় ছিলেন লিটন। দলীয় ৪০ রানে ইনিংসের ১০ম ওভারের প্রথম বলে ব্যক্তিগত ২১ রানে প্যাভেলিয়নে ফেরেন তিনি। ২১ বলের ইনংস সাজিয়েছেন দুই চার ও এক ছক্কায়।

তৃতীয় উইকেটে শান্তকে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে পথে ফেরান সাকিব। দলীয় ১০১ রানে ইনিংসের ১৭তম ওভারের শেষ বলে প্যাভেলিয়নে ফেরেন তিনি। পাঁচ চারে ২৭ বলে ২৬ রান করেছেন এই অলরাউন্ডার। চতুর্থ উইকেটে হৃদয়কে নিয়ে শান্ত গড়েছেন ১২৮ রানের জুটি।

সাকিবের বিদায়ের পর চতুর্থ উইকেটে শান্ত-হৃদয় ১০২ বলে ১৩১ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ২৩২ রানে ইনিংসের ৩৪তম ওভারের শেষ বলে হৃদয়ের বিদায়ে ভাঙে তাদের জুটি। ৫৮ বলে ৬৭ রান করেছেন এই হাফ সেঞ্চুরিয়ান। পাঁচ চার ও তিন ছক্কায় সাজানো ছিলো তার ইনিংসটি।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৪.২ ওভারে চার উইকেটে ২৩৭ রান। ৮৩ বলে এগারো চার ও দুুই ছক্কায় শতরান করা লিটন অপরাজিত আছেন ১০৮ রানে। তাকে সঙ্গ দিতে মাঠে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম।

এর আগে আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে ৩১৯ রান তুলেছে।টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ড শুরুতে দুই উইকেট হারালেও ট্যাক্টর ও ডকরলের ব্যাটে দিন বড় পূঁজি গড়েছে। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে হাসানের বলে উইকেটরক্ষক মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরেন আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিং । ৩ বলে ১ রান করেছেন তিনি। দ্রুত প্রথম উইকেট হরানো আইরিশরা দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে দলীয় ১৬ রানে।

সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার স্টিফেন ডোহেনী সাজঘরে পাটিয়েছেন হাসান মাহমুদ। দুই চারে ২১ বলে ১২ রান করেছেন স্বাগতিক এই ওপেনার। এরপরই তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন ট্যাক্টর ও বার্লবিনি। ইনিংসের ২৪তম ওভারের তৃতীয় বলে শরিফুল ইসলাম অ্যান্ড্রু বার্লবিনিকে ফিরিয়ে ভাঙেন সেই জুটি। দলীয় ১১৪ রানে ব্যক্তিগত ৪২ রানে সাজঘরে ফিরেন অ্যান্ডু বার্লবিনি। ৫৭ বলের ইনিংস সাজিয়েছেন চারটি চরে।

ইনিংসের ২৬তম ওভারের শেষ বলে শরিফুলের শিকারে চতুর্থ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। দলীয় ১৩৮ রানে ব্যক্তিগত ১৬ রানে সাজঘরে ফিরে যান লরকান টাকার। ১১ বলের ইনিংসে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। এরপরই পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তাইজুল। ইনিংসের ৩১তম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ১৬৭ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরেন চ্যাম্পার। ১১ বলে ৮ রান করে এলবিডাব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন তিনি।

ষষ্ট উইকেটে ট্যাক্টর ও ডকরেল মিলে হড়েন ১১৫রানের জুটি। এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করা হ্যারি ট্যাক্টরকে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের শেষ বলে সাজঘরে পাঠান এবাদত। দলীয় ১৮২ রানে ষষ্ট উইকেটে প্যাভেলিয়নে ফেরত যান তিনি। দশ ছয় ও সাত চারে ১১৩ বলে ১৪০ রান করেছেন তিনি।

ট্যাক্টর ফিরে গেলেও আরো বিধ্বংসী হয়ে উঠেন জর্জ ডকরেল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৪৭ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন চার ও চার ছক্কায় সাজিয়েছেন তার ইনিংসটি। ২০ রানে অপরাজিত থাকেন মার্ক অ্যাডায়ার।

বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ, শরিফুল ২টি করে, এবাদত ও তাইজুল ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here