ধোনির সামর্থ্য নিয়ে সংশয় ছিল ব্যাঙ্গালোরের!

স্পোর্টস ডেস্কঃ ২০০৭ সালে সদ্যই তখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এরপরই ২০০৮ সালে শুরু হয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। প্রথম আসরে নিজেদের ঢেরায় পছন্দের খেলোয়াড়কেই আইকন হিসেবে দলে ভেড়াচ্ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বলা চলে প্রায় নিজ নিজ শহরের ক্রিকেটারকেই দলে নিচ্ছিল তারা।

তবে ধোনিকে কেউই আইকন হিসেবে দলে ভেড়ায়নি। এছাড়া চেন্নাইয়েরও ছিল কোনো আইকন। নিলামে তাই সদ্য বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কে পেতে তোরজোর ছিল চেন্নাইয়ের মধ্যে। একই সাথে সুযোগ ছিল ব্যাঙ্গালোরের সামনেও। তবে ১৫ লাখ ডলার দিয়ে ধোনিকে কিনতে যাওয়া থেকে পিছু হটে যায় তারা। দলে রাহুল দ্রাবিড়-অনিল কুম্বলের মতো বড় তারকা, বিরাট কোহলির মতো তরুণ, বিদেশীদের মধ্যে চন্দরপুল, জ্যাক ক্যালিস, ডেল স্টেইন, বাউচারদের মতো অভিজ্ঞদের ভিড়িয়ে ধোনিকে অবজ্ঞাই করেছিল ব্যাঙ্গালোরু। এত অর্থ ধোনির পেছনে খরচ করার মানে পাচ্ছিলেন না তারা।

দীর্ঘদিন পর ধোনিকে দলে না নেওয়ার কারণ জানিয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তৎকালীন সিইও ও ধারাভাষ্যকার চারু শর্মা। তিনি বলেন, ‘চেন্নাইয়ের ১৫ লাখ ডলারে ধোনিকে কেনার বিপরীত দিকটাও ভাবুন একবার। যদি ধোনি ব্যর্থ হতো? বেঙ্গালোরু জুড়ে কেমন সমালোচনা চলতো? শুরু থেকেই ধারণা করতে পারছিলাম যেভাবে নিলাম চলছে, আমরা আর কিনতে পারব না ওকে। টি-টোয়েন্টি তো একজনের খেলা না। এটা দলগত সাফল্যের খেলা। মনে করুণ ধোনি টানা দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে গেল, তখন কী হবে? চেন্নাইয়ের সমর্থকরা তো জানতে চাইতো যে বিপরীতে কী পেলো তারা।’

ধোনিকে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরুর এমন সংশয় হলেও, চেন্নাইয়ের ভরসার প্রতিদান দিয়েছেন ধোনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ বার শিরোপা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টি জিতেছেন দুই বার, চেন্নাইকে ১৭৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ১০৪টিতেই জয় এনে দিয়েছেন। অপরদিকে ১২ আসরে একবারের জন্যও শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে পারেনি ব্যাঙ্গালোরু।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা