নির্বিষ বোলিংয়ে আশার প্রদীপ নিভুনিভু বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম টেস্টে অনেকটা এগিয়ে গেলো পাকিস্তান। চতুর্থদিন শেষে তাদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১০৯ রান। ২০২ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের শতরানের ওপেনিং জুটিতে জয়ের অনেক কাছাকাছি বাবব আজমের দল। ১০৫ বলে ৬ চারে ৫৬ রানে খেলছেন আবিদ। ৯৩ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় শফিকের রান ৫৩।

ম্যাচের পঞ্চম দিন জিততে হলে পাকিস্তানের দরকার ৯৩ রান। হাতে আছে ১০ উইকেট। আবিদের পর ফিফটি পেলেন আব্দুল্লাহ শফিকও। মেহেদী হাসান মিরাজকে ছক্কা মেরে ৮৮ বলে স্পর্শ করলেন ফিফটি। এক ছক্কার পাশে তার ইনিংসে চার ছয়টি। আগের ইনিংসের ফিফটিও ছক্কায় পেয়েছিলেন শফিক। বোলার ছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ। আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ ফিফটি ৯২ বলে ছয়টি চারে স্পর্শ করেছেন।

এর আগে সোমবার নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে মাত্র ১৫৭ রানে। মাত্র ৪ রানে পড়েছে শেষের ৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসের ৪৪ লিডসহ পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও স্বাগতিক বোলারদের কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। মাত্র ৩৩ ওভারেই ১০৯ রান করে ফেলেছে এই জুটি। পঞ্চম ও শেষ দিন (মঙ্গলবার) এখন শুধু মুমিনুল হকদের হারের প্রহর গোণা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। জিততে হলে অসাধ্য সাধন করতে হবে বাংলাদেশকে।

চতুর্থ দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ হারায় মুশফিকুর রহিমের উইকেট। তবে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন ইয়াসির আলি রাব্বি ও লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির বাউন্সারে কনকাশন হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে রাব্বির ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। রাব্বির জায়গায় কনকাশন সাব হয়ে আসেন নুরুল হাসান সোহান। তিনি  আউট হয়ে যান ১৫ রান করে।

প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর এই ইনিংসেও হেসেছে লিটনের ব্যাট। এই ইনিংসে ডানহাতি ব্যাটসম্যান করেছেন ৮৯ বলে ৫৯ রান। তিনি আউট হওয়ার পর আর কোনো রান যোগ হয়নি টাইগারদের স্কোরবোর্ডে। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানি বাঁহাতি পেসার শাহিন আফ্রিদি। এছাড়া সাজিদ খান তিনটি ও হাসান আলির শিকার দুই উইকেট।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/১১০