পারভেজের ফিফটির পর বাকিদের ব্যর্থতায় ইনিংস বড় হয়নি বরিশালের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৯তম ওভারে এসে মাত্র এক রান খরচ করে তিন উইকেট তুলে নেন শহিদুল ইসলাম। আর এতেই ভালো পথে থাকা ফরচুন বরিশালের ইনিংসে ব্যাঘাত ঘটে। যার ফলে সংগ্রহ বড় করতে পারেনি তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন দলটি। পারভেজ হোসেন ইমনের ফিফটিতে ভর করে ১৫২ রানের পুঁজি পেয়েছে দলটি। সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের জেমকন খুলনাকে ছুঁড়ে দিয়েছে ১৫৩ রানের লক্ষ্য।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট হারিয়ে বসে বরিশাল। ওপেনিংয়ে নেমে মেহেদি হাসান মিরাজ ফিরে গেছেন ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে। রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম উইকেট হারানো দক্ষিণাঞ্চলের দলটি ৩৮ রানে হারায় দ্বিতীয় উইকেট। অধিনায়ক তামিম ফিরে যান ১৫ রান করেই।

পরবর্তীতে উইকেটে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে ফেরান সাকিব আল হাসান। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে প্রথম বলেই প্রত্যাবর্তনের উইকেট তুলে নেন এই তারকা। আফিফকে লেগ অঞ্চলের বাউন্ডারিতে জহুরুল ইসলাম অমির হাতে তালুবন্ধী করান সাকিব।

পরবর্তীতে দুই বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার পারভেজ ইমন ও তৌহিদ হৃদয় ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। দুর্দান্ত খেলতে থাকা ইমন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই দেখা পান ফিফটির। তবে ৪২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫১ রান করে ফিরে যান। এরপর ইরফান শুক্কুর এসে হাল ধরার চেষ্টা করলেও, পারেননি বেশি সময় ঠিকতে (১১)।

উইকেটে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন জুটি গড়ার চেষ্টা করে তৌহিদ হৃদয়ের সাথে। হৃদয়ের ২৫ বলে ২৭ ও অঙ্কনের ১০ বলে ২১ রানের ক্যামিও শেষে তাসকিনের ১১ রানের ছোট ক্যামিওতে দেড়শ পেরোতে পার করে বরিশাল। হৃদয় ও অঙ্কন দু’জনই ড্রেসিং রুমে ফিরেছিলেন। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫২ রান সংগ্রহ করতে পারে দলটি।

মাত্র ১৭ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করে দলের সেরা বোলার শহিদুল ইসলাম। এছাড়া শফিউল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ ২টি করে উইকেট লাভ করেছেন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/সা