সিলেট ইউনাইটেডকে উড়িয়ে ফাইনালে সিটি কর্পোরেশন

ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গ্রুপ পর্বে উড়ন্ত ফর্মে ছিল সিলেট ইউনাইটেড। হারেনি কোনো ম্যাচেই। টানা চার জয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সিলেট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের সেমিফাইনালে উঠেছিল দলটি। অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালের মঞ্চে আসা এই দল খেই হারিয়ে বসেছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পাত্তাই পায় নি আবু জায়েদ রাহি-আরিফুল হকরা। ম্যাচ হেরেছে ৬৮ রানের বড় ব্যবধানে। তবে হারকে ছাপিয়ে আলোচনায় ইউনাইটেডের প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাটিং।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই এদিন আক্রমণাত্বক ছিল সিসিকের ব্যাটসম্যানরা। সেই আক্রমণের ধারা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেছে মেয়র আরিফুল হকের দল। যার বদৌলতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় সিসিক।

ওপেনার রিজভি ৬০ বলে ৪ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ৭৭ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন। টপ অর্ডারে ব্যাট করতে নামা জাকির হাসান রান আউটে কাটা পড়ার আগে ১০ রান করেন। তবে শেষদিকে শাহনুরের ২৫ বলে ৩০ এবং অভিজ্ঞ ফরহাদ রেজার ৯ বলে ১৭ রানের ইনিংসে সিসিকের জন্য বেশ কার্যকরি ছিল।

সিলেট ইউনাইটেডের হয়ে এদিন মুজাক্কির ব্যতিত প্রায় সব বোলারই বেশ খরুচে ছিলেন। বিশেষ করে দলটির আইকন আবু জায়েদ রাহি ৪ ওভারে খরচ করেন ৪৬ রান। বিনিময়ে উইকেটশূন্য থাকেন। মুজাক্কির ৬ রানে ১ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার।

১৫৮ রানের বড় লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ধুঁকতে থাকে সিলেট ইউনাইটেড। প্রথম ধাক্কা লাগে ওপেনিংয়ে নামা দলটির বাহিরের রিক্রুট আরাফাত সানি জুনিয়র মাত্র দুই বল খেলেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে। এরপর একের পর এক ব্যাটসম্যানের আসা-যাওয়া শুরু হয়। দলটির প্রথম ৮ ব্যাটসম্যানের ৭ জনই দুই অঙ্কের রানের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।

সব মিলিয়ে সংখ্যাটা নয়। প্রথম দশ ওভারে কোনো বাউন্ডারি আসেনি আরিফুল-শেহনাজ-জাভেদদের ব্যাট থেকে। আরও আশ্চর্যের বিষয় ব্যাটসম্যানদের আউট হওয়ার ধরন। তিনটি শিশুসুলভ রান আউটের পাশাপাশি রীতিমতো উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন ব্যাটসম্যানরা। শেষদিকে চোট পাওয়া ওপেনার আরাফাত ব্যাট হাতে ইউনাইটেড শিবিরকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচান। ৩৩ বলে ৩ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ৪৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৫০’র নিচে অলআউট হওয়া থেকে রক্ষা করেন। রাহি খেলেন ১২ রানের ইনিংস খেলেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের হয়ে মাত্র ৯ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন জয়নুল। এছাড়া ৫ রানে ২টি উইকেট শিকার করেন সানজামুল ইসলাম।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/সা