ফার্গুসনের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ম্লান করে অধিনায়ক পোলার্ডের বিধ্বংসী ইনিংস

স্পোর্টস ডেস্কঃ আজ থেকে শুরু হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও উইন্ডিজের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজ। অকল্যান্ডে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচটিতে ১৮০ রানের বিশাল পুঁজি পেয়েছে দলটি। অথচ ১৬ ওভারের ম্যাচটিতে লকি ফার্গুসনের পেস তোপে পড়ে ধস নেমেছিল ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং লাইনআপে। খাঁদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছেন অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড।

ম্যাচের শুরু থেকেই বিধ্বংসী ছিলেন উইন্ডিজের দুই ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ও ব্রেন্ডন কিং। তিন ওভারে মাঝেই দলের স্কোর পেরোয় ৫০ রান। তবে এক লকি ফার্গুসন এসে ওলট-পালট করে দেন সবকিছু। দলীয় ৫৮ রানে ৩ চার ও সমান ছক্কায় ১৪ বলে ৩৪ রান করা ফ্লেচারকে শুরুতে ফেরান এই তারকা। একই ওভারের শেষ বলে হেটম্যায়ারকে ফিরিয়ে ক্যারিবিয়ানদের লাগাম টেনে ধরেন কিউই পেসার।

অধিনায়ক টিম সাউদির করা পরের ওভারে ব্রেন্ডন কিং ও রোভম্যান পাওয়েলকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে উইন্ডিজ দল। ভরসা হতে পারেননি নিকোলাস পুরাণও। দলীয় ৫৯ রানে ফার্গুসনের শিকার হন তিনি। ১ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ক্যারিবিয়ানদের ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান অধিনায়ক পোলার্ড। খেলেন ৩৭ বলে ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। ৮ ছক্কা ও ৪ বাউন্ডারির মারে কিউই বোলারদের নাকানি-চুবানি খাওয়ান এই ক্যারিবিয়ান তারকা। ২৬ বলে ৩০ রান করে ফ্যাবিয়েন অ্যালেন সঙ্গ দেন পোলার্ডকে।

তাদের দু’জনের ষষ্ঠ উইকেটে ৮৪ রানের জুটিই দলকে নির্ধারিত ১৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮০ রানে পুঁজি এনে দেয়। ফ্যাবিয়েন ফিরে গেলেও অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন পোলার্ড। অবশ্য স্বাগতিক বোলারদের কম কৃতিত্ব ছিল না এতে। অতিরিক্ত খাত থেকে ২৬টি রান দিয়েছেন তারা। যার মাঝে ১৬টি ওয়াইড, ৪টি নো বল ৬রান এসেছে লেগ বাই থেকে। উইন্ডিজ ১৮০ রান করলেও, ডাক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতির কারণে ১৬ ওভারে ১৭৬ রানের লক্ষ্য ব্ল্যাকক্যাপসদের সামনে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৪ ওভার বল করে ২১ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দেখা পেয়েছেন ফার্গুসন। যার মাঝে ১৯টিই ছিল আবার ডট বল। এছাড়া অধিনায়ক সাউদি ২টি উইকেটে নিয়েছেন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা