ফিঞ্চের পর স্মিথের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি, ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার রান পাহাড়

স্পোর্টস ডেস্কঃ করোনা পরবর্তী সময়ে ঘরের মাঠে প্রথম বারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নেমেই বিধ্বংসী রূপ অস্ট্রেলিয়ার। ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে রান পাহাড় গড়েছে অজিরা। কোহলিদের সামনে ছুঁড়ে দিয়েছে ৩৭৫ রানের বিশাল লক্ষ্য। বুমরাহ-চাহাল-নভদ্বীপদের তুলোধুনো করেছেন স্বাগতিক দলের ব্যাটসম্যানরা। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। এছাড়া বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি হাকিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। ওয়ার্নার খেলেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড় তুলেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

সিডনিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে আগ্রাসী অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। দু’জনে মিলে ১৫৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ২৮তম ওভারের শেষদিকে ভাঙে এই জুটি। ক্যারিয়ার ২২তম ফিফটির পর ৭৬ বলে ৬ চারের মারে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে ওয়ার্নার বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি।

পরবর্তীতে উইকেটে এসে ফিঞ্চের সাথে হাল ধরেন স্টিভ স্মিথ। দু’জনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়ে তুলেন ১০৮ রানের জুটি। ক্যারিয়ারের ১৭তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফিঞ্চ বিদায় নেন দলের সর্বোচ্চ ১১৪ রান করে। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯টি চার ও ২টি ছক্কার মারে।

উইকেটে এসে ঠিকতে পারেননি মার্কোস স্টোয়নিস। গোল্ডেন ডাকে ফেরেন এই হার্ডহিটার অলরাউন্ডার। এরপর দ্রুত রান তোলার জন্য নামেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এসেই স্মিথের সাথে ঝড় তুলেন এই তারকা। তাঁর ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝড় থামে শামির বলে জাদেজার হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার পর। মার্নাস ল্যাবুশানে পরবর্তীতে ব্যাটিংয়ে নামলেও মাত্র ২ রান করেই ফিরে যান তিনি।

অপর প্রান্তে রান তোলার কাজটা করে যান স্মিথ। এই ডানহাতি তারকা বিদায় নেন ইনিংসের একেবারে শেষ ওভারে। তবে এর আগে প্রায় ১৬০ স্ট্রাইকে রেটে খেলে যান ৬৬ বলে ১০৫ রানের ইনিংস। যেখানে ১১ বাউন্ডারির সাথে ছিল ৪টি ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি তুলে নেন ৬২ বলেই। যেটি কিনা অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি।

শেষদিকে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারির ১৭ রানের ইনিংসের পর ৬ উইকেটে ৩৭৪ রানের বিশাল পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া। যেটি কিনা ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর অজিদের। এছাড়া সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সর্বোচ্চ রানের স্কোর।

ভারতের হয়ে ৫৯ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার শামি। তিনিই একমাত্র বোলার যে কিনা ইকোনোমি ছয়ের নিচে রাখতে পেরেছেন। এছাড়া বুমরাহ ৭৩ রান খরচায় ১টি, চাহাল ৮৯ রান খরচায় ১টি ও নভদ্বীপ ৮৩ রান খরচায় ১টি উইকেট নিয়েছেন। এদিকে ৬৩ রান খরচ করেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি রবীন্দ্র জাদেজা।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা