বিষাদময় জীবন থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন আশরাফুল

ফাইল ছবি।

স্পোর্টস ডেস্কঃ করোনা দুর্যোগে অতৃপ্ত হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। সেখান থেকে মুক্তি পেতেই এখন চলছে মানুষের লড়াই। অনেকেই ঠিকে যাচ্ছেন সেই লড়াইয়ে। অনেকেই আবার ঝরে পড়ে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার হতাশায় নিমজ্জিত। পৃথিবীর এমন কঠিন রূপ একত্রিত হয়ে কবে এসেছিল সেটি জানা নেই আবার অনেকেরই।

তবে ব্যক্তিগতভাবে বিষাদময় এমন জীবন অনেকেরই অসংখ্যবার এসেছে। যা করোনা থেকেও ভয়ঙ্কর। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশের নন্দিত এবং নিন্দিত তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলও। যার জন্য আত্মহত্যার মতো পথও বেঁছে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হজে গিয়ে সেই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটে অ্যাশের।

এক সময়ের দেশের সেরা এই ব্যাটসম্যান জানিয়েছেন জীবনের কঠিন সময়ের এক কাহিনী। গতকাল ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদের ইউটিউব লাইভ ‘নট আউট নোমান’ অনুষ্ঠানের এই গল্প শুনিয়েছেন তিনি। করোনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যেখানে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়ার সময়টা এবং এরপরের সময়ের কথা উল্লেখ করে কঠিন সময় পার করার কথা বলেছেন আশরাফুল।

আশরাফুল বলেন, ‘যখন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযুক্ত হয়ে আমাকে নিষিদ্ধ করা হলো। আমি নিজে ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিং করার কথা স্বীকার করে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলাম, তখনকার অবস্থা ছিল এর চেয়েও খারাপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই জেনেছে আমি অপরাধ করেছি। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি তখন সবার চোখে অপরাধী। সবাই বাঁকা চোখে দেখতে শুরু করলো। অনেক কাছের মানুষও দূরে সরে গেলেন। প্রতিনিয়ত মনে হতো এরকম অবস্থায় কি করে বেঁচে থাকবো আমি? আমি কি করে জনসম্মুখে মুখ দেখাবো? আমার পরিবারের কাছে কি বলবো? তাদের কি অবস্থা হবে?’

‘তখন একটা সময় আমার মনে হয়েছিল এ জীবন আর রেখে কি লাভ, তার চেয়ে বরং আত্মহত্যা করি। তবে এরপর আমি হজে যাই। হজে যাওয়ার পর আমার মন মানসিকতা পরিবর্তন ঘটে।’

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা