ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হলে বড় সংকটে পড়বে টোকিও অলিম্পিক

    স্পোর্টস ডেস্কঃ মহামারী করোনার কারণে এক বছর পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে টোকিও অলিম্পিক। আগামি বছর জুলাই-আগস্টে হবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ।’ তবে অলিম্পিক আয়োজন পিছিয়ে নিয়ে যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হলেও, আভাস মিলছে বড় সংকটের। কারণ যদি প্রতিষেধক আবিষ্কার না হয় কিংবা হলেও যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন বাজারে না থাকে তাহলে বিপর্যয়ে পড়বে অলিম্পিক।

    এমন শঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এর কারণও উল্লেখ করেছেন তিনি। বিপুল পরিমাণ অ্যাথলেট এখানে আসবেন খেলতে। শুধুমাত্র অ্যাথলেটই নয়, রয়েছেন কোচ-কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, আয়োজক কমিটির মানুষজন, এছাড়াও থাকবেন অসংখ্য পরিমাণের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এত মানুষের আয়োজনে থাকবে নিরাপত্তাহীনতা।

    ইতিমধ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এই অলিম্পিক আসর আর পেছাবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। ভ্যাকসিন যে আবিষ্কার হবে সেটিরই কোনো ঠিক নেই। যদি আবিষ্কারও হয় বিপুল পরিমাণে সেটি পাওয়া যাবে কিনা সেই নিয়ে রয়েছে সংশয়।

    অলিম্পিক কমিটির ঐ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘সত্যি বলতে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে যাচ্ছি আমরা। কারণ, বিশ্বের ২০৬টি দেশ থেকে অ্যাথলেটরা জাপানে আসবে। পরিসংখ্যান বলছে টোকিও গেমসে ১১ হাজার অ্যাথলেট, ৫ হাজার টেকনিক্যাল অফিসিয়াল ও কোচ, ২০ হাজার গণমাধ্যকর্মী ছাড়াও ৪ হাজার মানুষ আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কাজ করার কথা রয়েছে। একইসাথে গেমসে ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করার করা কথা। এত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন কাজ।’

    এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা