মিরপুরে মেহেদী ঝড়ে রাজশাহীর বড় পুঁজি

ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল রাজশাহী। সেই বিপর্যয় কাটিয়ে মিরপুরে ঝড় তুলেছেন মেহেদী হাসান। তাঁর ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর ১৬৯ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। নুরুল সোহানের ব্যাট থেকেও ক্যমিও ইনিংসের দেখা মিলেছে।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা রাজশাহীর ব্যাটসম্যানদের শুরুতেই ঢাকার বোলাররা চেপে ধরে। সেখান থেকে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে ওপেনার ইমন কিছুটা এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। দলীয় ৩৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় রাজশাহী। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ রান করে ফিরে যান নাসুম আহমেদের বলে।

এরপর উইকেটে এসে ঠিকতে পারেননি রনি তালুকদার (৫), মোহাম্মদ আশরাফুল (৫), ফজলে রাব্বিরা (০)। এদের মধ্যে রাব্বি কোনো বলই খেলতে পারেননি। নাসুম-মুশফিকের দুর্দান্ত বোঝাপড়ায় ফিরে গেছেন রান আউটের শিকার হয়ে। ভালো কিছু করে দেখাতে পারেননি আশরাফুল। এই তারকার উপর ছিল অনেক আশা। মুক্তার আলির বলে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে খেলতে পেরেছেন কেবল ৯টি বল।

ভালো খেলতে থাকা ইমন ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ড্রেসিং রুমে ফিরেছেন। ২৩ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় এই রান তুলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এরপরই দলকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামেন নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান। দলের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন এই দুইজন।

একের পর এক চার-ছক্কায় বাউন্ডারি লাইন পার করে মিরপুরের সবুজ গালিচায় আঁচড়ে পড়তে থাকে বল। অপরদিকে পদ্মা পাড়ের দলটির স্কোরবোর্ডে হুর হুর করে বাড়তে থাকে রান। ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী-সোহানের ৮৯ রানের জুটি দলকে পথ দেখায় বড় পুঁজির।

দুই চার ও তিন ছক্কায় ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে সোহান ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর বেশি সময় ঠিকতে পারেননি মেহেদী। কিন্তু, এর আগে ৩২ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৫০ রানের ইনিংস। টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ ফিফটি এটি তাঁর। শেষদিকে ফরহাদ রেজার ১১ রানের ছোট ক্যামিওতে রাজশাহীর সংগ্রহ পায় ১৬৯ রানের। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে এই সংগ্রহ পায় দলটি।

ঢাকার হয়ে ২২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার মুক্তার আলি। এছাড়া মেহেদি রান, নাসুম আহমেদ ও নাঈম হাসানরা ১টি করে উইকেট পকেটে পুড়েন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/সা