মুরাদের স্পিন ভেলকির দিনে শান্ত-মুমিনুলের ফিফটি

ফাইল ছবি।

স্পোর্টস ডেস্কঃ সিরিজের দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ও এইচপি দল। চট্টগ্রামে প্রথম দিন তোপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। জুনিয়রদের বোলিংয়ে দিশেহারা জাতীয় দলের এক ঝাঁক তারকাদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং লাইনআপ।

যেখানে প্রথম দিনের নায়ক এইচপি দলের হাসান মুরাদ। বাঁহাতি এই স্পিনার একাই নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হকের জোড়া ফিফটিতে কোনোমতে মনে মান বাঁচিয়েছে ‘এ’ দল। শহিদুল ইসলামের অবদানও কম নয় এতে। তবে স্বস্তিতে নেই দলটি। দিন শেষে ‘এ’ দলের সংগ্রহ ৯ উইকেটের বিনিময়ে ২২৩ রান।

জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় মাত্র ১১ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সাদমান ইসলামকে হারিয়ে ফেলে ‘এ’ দল। পেসার সুমন খানের বলেই ফিরে যান দু’জন। এরপর দলের হাল ধরেন শান্ত ও মুমিনুল। তাদের ৮৮ রানের জুটিতে ছন্দ খুঁজে পায় ‘এ’ দল।

রেজাউর রহমান রাজার বাউন্সিং ডেলিভারিতে অধিনায়ক মুমিনুল স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। তবে প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৮৫ বলে ৬ বাউন্ডারি ১ ছক্কায় খেলে যান ৬২ রানের ইনিংস। উইকেটে এসে মুরাদের বলে মাত্র ৪ রান করে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন মোহাম্মদ মিঠুন। কোনো রান না করেই আউট হন ইয়াসির আলি রাব্বি। একই অবস্থা ইরফান শুক্কুরেরও।

মাত্র ১৭ রানের ব্যবধানে ৪ গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে বিধ্বস্ত হয় মুমিনুল হকের দল। এরপর নাঈম হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ৬৫ রানের জুটিতে বিপর্যয় সামাল দেন শান্ত। তৃতীয় সেশনে অধিনায়ক আকবর আলি পার্ট টাইমার শাহাদাত হোসেন দিপুকে বোলিংয়ে আনলে, তৃতীয় বলেই শান্তকে ফিরিয়ে দেন দিপু। ২০৮ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৭২ রানের এক দারুণ ইনিংস খেলে বিদায় নেন এই বাঁহাতি। ৩২ রান করে নাঈমও বিদায় নেন।

এরপর শহিদুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান মিলে জুটি গড়েন ৪২ রানের। শেষ বিকেলে ঝড়ো ইনিংস খেলা শহিদুলকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট উইকেট পূর্ণ করেন মুরাদ। আউট হবার আগে ৩১ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৬ রান করেন শহিদুল। এরপরই দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ‘এ’ দলের সংগ্রহ হয় ৯ উইকেটে ২২৩ রানে। রাকিবুল অপরাজিত আছেন ৬ রান করে।

এইচপি দলের হয়ে মুরাদ ৫টি, সুমন ২টি, রেজাউর ও দিপু ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা