ম্যানসিটির উপর থেকে উঠে গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নিষেধাজ্ঞা

স্পোর্টস ডেস্কঃ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। উয়েফার সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে স্পোর্টস আদালতে আপিল করেছিল ক্লাবটি। সেখান থেকেই কেটে গেছে সিটিজেনদের উপর নিষেধাজ্ঞা। একইসাথে কমে যাচ্ছে জরিমানার পরিমাণও। এর ফলে আগামি মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে কোনো বাঁধা থাকছে না পেপ গার্দিওলা শিষ্যদের।

আর্থিক স্বচ্ছতার ধারা (ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে) ভঙ্গ ও উয়েফা গর্ভনিং বডিকে তদন্তে সহায়তা না করে তাদের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপনের অভিযোগ উঠেছিল ম্যানসিটির বিরুদ্ধে। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটি উয়েফার আর্থিক স্বচ্ছতার ধারা ভেঙেছিল। তারা ক্লাবের আয়-ব্যয়ের হিসাব সঠিকভাবে দেয়নি। তবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উয়েফার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা অনুসন্ধান শুরুর আগেই সিটিজেনদের দোষী বলে উল্লেখ করেন এবং তাদেরকে শাস্তি পেতে হবে বলে জানিয়েছিলেন। এরপর উয়েফা দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় সিটিজেনদের উপর। একই সাথে দেওয়া হয় বিপুল অর্থের জরিমানা।

তবে তদন্ত শুরুর আগেই তদন্ত কর্মকর্তার এম বক্ব্যের জেরে ম্যানসিটি জানিয়েছিল পূর্বপরিকল্পনা করে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যার জন্য সাথে সাথেই সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত ক্রীড়া বিষয়ক সর্বোচ্চ আদালত কোর্ট অব অ্যারবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) আপিল করে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি। সেই আপিলের রায় আজ পাঁচ মাস পর দেওয়া হলো। যেখানে এই দুই বছরের শাস্তি তুলে নেওয়া হয়। একই সাথে জরিমানা ৩০ মিলিয়ন থেকে ১০ মিলিয়নে নিয়ে আসা হয়।

এক বিবৃতিতে সিএএস বলে, ‘অর্থের হিসেবে কোনো ধরনের গণ্ডগোল পাওয়া যায়নি। সিটির বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের কোনোটিই নিয়ম ভঙ্গ হয়নি। যেহেতু কোনো ধরনের নিয়ম ভাঙার প্রমাণ পাওয়া যায়নি তাই ম্যানচেস্টার সিটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অনুচিত। তবে অনুসন্ধানে উয়েফাকে সাহায্য না করায় জরিমানা করা অর্থের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করতে হবে উয়েফাকে।’

আপিলের রায় নিজেদের পক্ষে যাওয়ায় সিএএসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ম্যানসিটি। তারা জানায়, ‘ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছি। শুরু থেকেই আমরা স্বচ্ছ ছিলাম। সিএএসকে ধন্যবাদ সুষ্ঠু বিচারের জন্য।’

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা