যেখানে বিশ্বের দামি ফুটবলার হয়েছিলেন, সেখানেই ফিরতে হচ্ছে ধারে

স্পোর্টস ডেস্কঃ বাংলায় একটি প্রবাদ চালু আছে, ‘বিধাতার লীলা বোঝা বড় দায়, কখন কার কি গতি হয় সেটি শুধুমাত্র তিনিই জানেন!’ এই প্রবাদটির বাস্তবতাই এখন দেখা যাচ্ছে গ্যারেথ বেলে’র উপর। ওয়েলস তারকার ফুটবলীয় ক্যারিয়ারের অবস্থা এখন অনেকটাই বেহাল দশায় রয়ছে।

২০১৩ সালে এই তারকা ফরোয়ার্ড তখনকার বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হয়ে টটেনহ্যাম থেকে ১০১ মিলিয়ন ইউরোতে পাড়ি জমান রিয়াল মাদ্রিদে। সেই মাদ্রিদ শিবিরেই এখন বেলে’র অবস্থা তথৈবচ। গত দুই মৌসুম ধরে ফুটবলের সাথে সখ্যতার চেয়ে বেশি দূরেই রয়েছেন। বিপরীতে বেঞ্চ আর গলফকে সঙ্গী করেছেন।

সবার সামনেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে বেলকে আর রাখতে চায় না লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। কিন্তু চুক্তি বাকি থাকায় সেটি সম্ভব হয়নি। যদি বেলকে চুক্তির আগেই বের করে দেওয়া হতো তাহলে, মোটা টাকা গচ্ছা দিতে হতো রিয়াল মাদ্রিদকে। কিন্ত, রিয়ালকে ৩ কোটি ইউরো বেতন দিতে হয়েছে ঠিকই। খেলার হিসেবে ধরলে প্রতি মিনিট খেলে বাংলাদেশী মুদ্রার হিসাবে নিয়েছেন ২৪ লাখ টাকা।

তবে এবার মাদ্রিদদের ঢেরা ছাড়ছেন বেল। ফিরছেন সেই পুরোনো ক্লাব টটেনহ্যামেই। কিন্তু, এখন অবস্থা পুরোপুরি ভিন্ন। যে ক্লাব থেকে বিশ্বের দামি ফুটবলার হয়ে এসেছিলেন, সেই ক্লাবেই ফিরে যাচ্ছেন ধারে। রিয়াল এক বছরের জন্য স্পার্সদের ঢেরায় ধারে ছেড়ে দিচ্ছে এই তারকা ফরোয়ার্ডকে। সবকিছু ঠিক থাকলে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মেনে নিয়ে আজই লন্ডনের বিমান ধরবেন বেল।

অবশ্য রিয়াল ছাড়ার পেছনে মূল দায়টা বেলে’রই থাকবে। কারণ, ক্লাবকে যে কোনো সময়ই নিজের বলে মনে করতে পারেননি সেটি স্পষ্ট হয়েছে সবসময়ই। মাদ্রিদে বছরের পর বছর থেকেও এখন পর্যন্ত স্প্যানিশ ভাষা শিখতে না পারায় কোচ জিদানের সাথে দূরত্বের শুরু। অন্যান্য খেলোয়াড়দের সাথে সমস্যা হয় বোঝাপড়ায়। সেই সমস্যা ধীরে ধীরে অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। সম্পর্কে ফাটল ধরে। যার জন্যই আজকের এই পরিস্থিতি।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/সা