রোমাঞ্চকর ম্যাচ জিতে ইউনাইটেডের চারে চার, খালি হাতে ফিরল এমকেবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে এমকেবি প্লাটুনকে চার রানে হারাল সিলেট ইউনাইটেড। রোমাঞ্চকর এই জয়ে গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের সবকটিতে জিতেই সেমিফাইনালে উঠল ইউনাইটেড শিবির। সিলেট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের পাশাপাশি মিলল টুর্নামেন্টের একমাত্র দল হিসেবে অপরাজিত থাকার তকমা। অপরদিকে খালি হাতেই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হলো এমকেবি প্লাটুন। এনামুল হক জুনিয়রের দলটি টুর্নামেন্টে জিততে পারেনি একটি ম্যাচও। অবশ্য গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে খেলেননি এনামুল।

ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৯ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট ইউনাইটেড। দলীয় ২৯ রানের মধ্যে দুই ওপেনার সাদি এবং শেহনাজকে হারালেও, পরবর্তীতে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ এবং আরিফুল হক। তৃতীয় উইকেটে ৩৯ বলে তাদের ৭১ রানের জুটি ইউনাইটেডের পক্ষে নিয়ে যায় ম্যাচ।

২১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রানের ক্যামিও খেলে আরিফুল আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ২ ছয় ও ৩ চারে ২৪ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে অধিনায়ক জাভেদও ফেরেন দ্রুতই। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ রাসেল আহমেদের শিষ্যরা।

এমকেবির হয়ে গালিব ৩২ রানে ৩টি এবং শরিফ ৯ রানে ২টি উইকেট লাভ করেন।

১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুর দিকে ভালো করলেও, খুব বেশি বাউন্ডারি এবং ওভার বাউন্ডারি বের করতে না পারায় চাপে পড়তে হয় এমকেবিকে। শেষ দুই ওভারে ৪০’র ওপর প্রয়োজন ছিল রান। ইউনাইটেড অধিনায়ক জাভেদের ওভার থেকে দৃষ্টিনন্দন ২ ছয় এবং ২ চারের মারে ২২ রান নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী তানজিম হাসান সাকিব।

শেষ ওভারে জয়ের যখন প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। সফর আলির করা সেই ওভারে এমকেবির দুই যুবা ব্যাটসম্যান সাকিব এবং নবাব মিলে ১৪ রানের বেশি নিতে পারেননি। ৫ উইকেটে ১৩৪ রানে থামে এমকেবির ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৪ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে। সাকিব ১১ বলে ২৬ এবং নবাব ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ইউনাইটেডের হয়ে রাহি, জাভেদ এবং বক্কর ১টি করে উইকেট লাভ করেন। ব্যাটে-বলে পারফর্ম করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইউনাইটেড অধিনায়ক জাভেদ।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/সা