সর্বোচ্চ গোলদাতা জৈন্তাপুরের গোলকন্যা মেসি

মণি রানী নাথ, ফটো- অনির্বান সেন গুপ্ত (প্রিতম)

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গমাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্টে জেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছে গোলকন্যা জৈন্তাপুরের মেসি খ্যাত মণি। মাত্র চার ম্যাচে ১৩টি গোল দিয়েছে মণি।

প্রতিযোগিতা মূলক ফুটবল টুর্ণামেন্টে পায়ের জাদু দেখিয়েছেন জৈন্তাপুরের মেসি মণি রাণী নাথ। আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মণি। ১০ বছরের এই মেয়ে গত কয়েক দিন মাতিয়েছে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের। স্টেডিয়ামের মত বড় মঞ্চে এসে প্রতিপক্ষের জালে একের পর এক গোল দিয়ে হয়েছে টুর্ণামেন্টের সর্বোচ্ছ গোলদাতা।

বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টে একের পর এক গোল করেছে সে। তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে দিয়েছে ১২টি গোল। যেনে গোল কন্যা মনি।

জৈন্তাপুর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালেয়র হয়ে এখন জেলা পর্যায়ে খেলছে। ফাইনালের বির্তকিত ম্যাচে তাদের দল হারলেও এখনো জয়-পরাজয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

সোমবার টুর্ণামেন্টের ফাইনালে সিলেট সদরের সৈয়দ আরজুমান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে হেরে যায় মণিদের। কিন্তুু সদর স্কুলটি বয়সে বড় জৈন্তাপুরের মেয়েদের খেলিয়েছে এমন অভিযোগ আসামপাড়া স্কুলের কর্মকর্তাদের। ফলে ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও আয়োজকরা চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার দেননি। বিষয়টি তদন্ত করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

গ্রুপ পর্বে মণি প্রথম ম্যাচে একাই করেছে ৬টি গোল। প্রতিপক্ষ কানাইঘাট উপজেলা চ্যাম্পিয়ন স্কুলকে এদিন মণিদের দল দিয়েছে ১০টি গোল।

মণি দ্বিতীয় ম্যাচে জকিগঞ্জ উপজেলা চ্যাম্পিয়ন সদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জালে দিয়েছে ৫টি গোল। সবাই মিলে দিয়েছে ৯টি গোল।

তৃতীয় ম্যাচে সেমিফাইনালে সিলেট সিটি চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী কানিসাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপক্ষে মণি করেছে একটি গোল।

এরপর ফাইনালে সৈয়দ আরজুমান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মণি ১টি গোল দিয়েছে। ম্যাচটিতে মণিরা হেরেছে ২-১ গোলে।

ফাইনালে হারলেও মণির পায়ের জাদু দেখে ছিলেন দর্শকরা। টুর্ণামেন্টের আয়োজকরা সর্বোচ্ছ ১৩ গোল দাতা মণির হাতেই তুলে দিয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।

বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টের জেলা পর্যায়ে ৪টি ম্যাচেই মণি গোল করেছে ১৩টি। মণি ঝলকে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে আসামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মণি জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্ডি গ্রামের শৈলেন দেব নাথের মেয়ে। সে এবার পিসএসি পরীক্ষা দেবে।