সাকিব টানছেন দলকে

0
20

স্পোর্টস ডেস্ক:: স্পোর্টস ডেস্ক:: বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে একে একে ফিরেছেন লিটন, বিজয়, রিয়াদ-আফিফরা। দ্রুত ৪ উইকেট হারানো দলকে টানছেন সাকিব। বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও লিটন দাস দলকে বিপদেই ফেলেছেন! ১৯৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ এক রানের ব্যবধানেই হারিয়েছে দুই উইকেট।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে দলীয় ৮ রানেই সাজঘরে ফিরেছেন এনামুল হক বিজয় ও লিটন দাস। ৪ বলে তিন রান করেছেন বিজয়। লিটন করেছেন ৪ বলে ৫ রান। তাদের বিদায়ের পর দ্রুতই ফিরেছেন অধিনায়ক রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। ব্যাট হাতে দলকে টানছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে দলীয় ২৩ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরেন রিয়াদ। এক চার ও এক ছয়ে ৭ বলে করেন ১১ রান। ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ঝড়ের ইঙ্গিত দেওযা ধ্রুবও ফিরেন সাজঘরে। দলীয় ৭৮ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেটে তিনি প্যাভেলিয়নে ফেরেন। তিন চার ও এক ছয়ে ২৭ বলে করেন ৩৪ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৩.২ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে তুলেছে ৯১ রান। ৩০ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। ৪ রানে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন নুরুল হাসান সোহান।

ডোমিনিকায় রোববার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ১৯৩ রান করেছে ক্যারিবিয়ানরা। খরুচে বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ-সাকিব আল হাসানরা। ম্যাচ জিততে টাইগারদের রেকর্ড গড়তে হবে।

মাত্র ২০ বলে ফিফটি করেন উইন্ডিজ সহ অধিনায়ক পাওয়েল। এটি উইন্ডিজের তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি। প্রথম ৪ ওভারের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল স্বাগতিকরা। তবে অধিনায়ক নিকোলাস পুরান ও ব্রেন্ডন কিংয়ের ৭৬ রানের জুটি সে চাপ ভালো ভাবেই সামাল দেয় ক্যারিবিয়ানরা।

ক‍্যারিবিয়ান ওপেনার কিং ৪৩ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় করেন ৫৭ রান। পাওয়েল মাত্র ২৮ বলে ৬১ রান করেন। ৪০ রান দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন শরিফুল। দলের সবচেয়ে খরুচে বোলার তাসকিন। ৩ ওভারে ৪৭ রান খরচ করে উইকেটের দেখা পান নি এই পেসার।

এছাড়া মুস্তাফিজও থেকেছেন উইকেটশূন্য। মেহেদি হাসান ৪ ওভারে মাত্র ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট তুলে নেন। এছাড়া সাকিব আল হাসান উইকেট পেলেও রান খরচ করেন ৩৮। মোসাদ্দেক হোসেন ১ ওভার করে মেইডেনসহ তুলে নেন অধিনায়ক পুরানের উইকেট।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ক্যারিবিয়ান ওপেনার কাইল মায়ার্স ৯ বলে ১৭ করে ফিরে যান। তিনে নামা সামারাহ ব্রুক শূন্য করেন। এরপর ৭৪ রানের জুটি গড়েন ওপেনার কিং ও চারে নামা অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। মোসাদ্দেক ওই জুটি ভাঙেন। তার আগে পুরান খেলেন ৩০ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৪ রানের ইনিংস। এরপর কিং ও পাওয়েল ঝড়ো শুরু করেন।

কিং ফিরে যান ৪৩ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৫৬ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। তবে পাওয়েলের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড অবস্থা হয় টাইগার বোলারদের। তিনি ২৮ বল খেলেন ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। ছয়টি ছক্কার শট তোলেন। চার মারেন দুটি।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here