‘সাদামাটা’ দল গঠনেও সিলেটের খরচ ৩ কোটি ৭৬ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিপিএলে বরাবরই সিলেট একটা ‘সাদামাটা’ দল। সিলেট রয়্যালস, সিলেট সুপার স্টার, সিলেট সিক্সার্স ও সিলেট থান্ডার কতো নামে খেলা হলো। দলও একই থাকে। এবার সিলেট সানরাইজার্স। প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষে দল গঠন করেছে সিলেট সানরাইজার্স। নিয়তি ওই একই। এবারো সাদামাটা এক দল।

তবে সিলেটের সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছেলে শাহেদ মুহিদ দল দুই আসরে সিলেট সিক্সার্স নামে সিলেটের দল পরিচালনা করেন। তখনি অজি ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নারকে এসেছিলেন দলটিতে খেলতে। এর বাইরে কখনোই বিদেশী বড় কোন তাঁরকার ছোঁয়া লাগেনি দলটিতে।

এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষেও সিলেটের সাথে নেই বড় কোন তাঁরকা। দেশী-বিদেশী তেমন বড় কোনো তাঁরকা নেই দলটিতে। বাংলাদেশ দলের সিনিয়র কোনো ক্রিকেটারতো নেই, সঙ্গে নেই টি-২০’র কোনো পারফর্মারও।

বাংলাদেশ টি-২০ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল, অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও বিপিএলের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজারদের কাউকে দলে নিতে পারেনি সিলেট।

আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া টি-২০ ক্রিকেটে দেশী তেমন কোনো পারফর্মারকেই দলে নেয়নি সিলেট সানরাইজ। বিদেশীদের মধ্যেও তেমন বড় কোনো নাম নেই। দেশী তারকাদের মধ্যে উল্লেখ করার মতো কেবল তাসকিন আহমদ আর বিদেশীদের মধ্যে বলার মতো দীনেশ চান্দিমাল-বোপারাকে দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এমন সাদামাটা দল গঠনেও প্লেয়ার্স ড্রাফটে সিলেটের খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তার মধ্যে দেশী ক্রিকেটাররা পারিশ্রমিক হিসেবে নিচ্ছেন ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা, আর বিদেশীরা পারিশ্রমিক হিসেবে নিচ্ছেন ১ কোটি ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ খরুচের তালিকায় সিলেট আছে চার নম্বরে। সবার উপরে ঢাকা, সবার শেষে খুলনা।

সিলেট সানরাইজার্স স্কোয়াড- তাসকিন আহমেদ, দীনেশ চান্দিমাল, কেসরিক উইলিয়ামস, কলিন ইনগ্রাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন, আল আমিন হোসেন, নাজমুল হোসেন অপু, রবি বোপারা, অ্যাঞ্জেলো পেরেরা, এনামুল হক বিজয়, সোহাগ গাজী, অলক কাপালি, মুক্তার আলী, সিরাজ আহমেদ, মিজানুর রহমান, নাদিফ চৌধুরি, জোবায়ের হোসেন লিখন।

এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০