নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একসময় এই মঞ্চ থেকেই জাতীয় দলের দরজা খুলেছিল এবাদত হোসেনের জন্য। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলামের মতো পেসাররাও উঠে এসেছেন প্রতিভা খুঁজে বের করার এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে। কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর সেই কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিলেটে আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন করে শুরু হওয়া এই বোলার হান্ট। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হবে এই আয়োজন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান নতুন বোলার খুঁজে বের করার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘রবি বোলার হান্ট’-এর ট্রায়াল পর্ব আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগ থেকে শুরু হয়েছে। রবির “পারবে তুমিও” মূলমন্ত্রে দেশব্যাপী এই প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমে ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছেন ১৭ হাজারের বেশি ক্রিকেটার।
আজ সিলেটে নতুন প্রতিভা খোঁজার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। সেখানে সম্ভাবনাময় বোলারদের খুঁজে নিতে কাজ করেছেন বিসিবির কোচরা। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের পেসার এবাদত হোসেন ও বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামও। বোলার হান্টের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার খুঁজে বের করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তাইজুল। তার মতে, শহরের বাইরের অনেক প্রতিভাই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে আড়ালেই থেকে যায়।
এ প্রসঙ্গে তাইজুল বলেন, ‘এটা অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। দেখবেন একটা বিষয় যে শহরের বাইরে যারা গ্রামে থাকে, তারা কিন্তু সব ভালো সুবিধা পায় না। যে কারণে কোথায় প্রতিভা লুকিয়ে আছে কেউ কিন্তু জানে না। এটা রবি এবং বিসিবির খুবই ভালো উদ্যোগ।’
বোলার হান্টের সঙ্গে এবাদতের ব্যক্তিগত স্মৃতি রয়েছে। ২০১৬ সালে রবি পেসার হান্টে অংশ নিয়ে সেরা বোলার হঞ তিনি। সেই স্মৃতি মনে করে আবারও একই কার্যক্রমে ফিরতে পেরে নিজের ভালো লাগার কথা বলেন এবাদত, ‘২০১৬ সালের রবি পেসার হান্টের মাধ্যমেই আমি এবাদত হোসেন হয়েছিলাম। সেখানে এক নম্বর বোলার হয়েছিলাম। আজকে এত বছর পরে আবার সেই দিনে ফিরে এসেছি, ভালো লাগছে।’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/১১০
































