স্পোর্টস ডেস্ক:: ঢাকা টেস্টে নাজমুল হোসেন শান্তর দল দারুণ শুরু করেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। সাদমানের সেঞ্চুরির পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৫৯ রান তুলতেই সাত উইকেটে হারিয়ে গুটিয়ে গেছে ২৭২ রানে। প্রথম দিনটা বাংলাদেশ নিজেদের করে নিয়েছিলো। ৩ উইকেটে ২১৩ রান তুলে দিন শেষ করেছিলো। তবে দ্বিতীয় দিন আজ সকালে ব্যাট করত নামা বাংলাদেশ হাতে থাকা সাত উইকেট নিয়ে মাত্র ৫৯ রান তুলে।
বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায় ২২১ রানে। ধ্বংস্তুপের শুরু এখান থেকেই। আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। আগের দিন ১০ রানে অপরাজি থাকা লিটন দাস আজও অপরাজিত থেকেছেন। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানে তিনি অপরাজিত থাকেন, অন্যরা গুটিয়ে যান দ্রুতই।
দ্বিতীয় দিন মধ্যাহৃ বিরতির পর ব্যাটিং করতে নেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ শুন্য উইকেটে ২৪ রান।
টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ অবশ্য শুরুটা করে হতাশা দিয়ে। দলীয় ৯ রানে, ইনিংসের ৭ম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম উইকেট হারায় টাইগাররা। ফিরে যান ওপেনার তানজীদ হাসান তামিম। ২৩ বলে মাত্র ৭ রান করেন তিনি। শুরুতেই উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় উইকেটে হাফ সেঞ্চুরির জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেয়।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ওপেনার সাদমান মুমিনুলকে নিয়ে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। ইনিংসের ২২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে দলীয় ৬৮ রানের মাথায় মুমিনুলের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। দুই বাউন্ডারিতে ৫১ বলে ২৮ রান করে ফিরে যান তিনে নামা মুমিনুল।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ওপেনার সাদমান অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে ৪২ রানের জুটি গড়েন। গতকাল দিনের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে শান্ত ফিরে যান ১৯ রানে। এরপরই সাদমান তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৮৮ রানের জুটি গড়নে। ব্যক্তিগত ৪২ রানে তাওহীদ হৃদয়ের বিদায়ের পর সকালে সেঞ্চুরি করে ফিরেন সাদমান। খেলেন ২৩৪ বলে ১০৫ রানের দারুণ এক ইনিংস। ১১ বাউন্ডারি হাঁকান স্বাগতিক সেঞ্চুরিয়ান। সাদমানের বিদায়ের পর ভেঙে পড়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। গুটিয়ে যায় মাত্র ২৭২ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ওয়ারিক্যান ৫টি উইকেট লাভ করেন।































