স্পোর্টস ডেস্ক:
ফিফা আসিয়ান কাপে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাতের এই ম্যাচের পর বাংলাদেশ কোচ থমাস ডুলি দুই দলের পারফরম্যান্স, র্যাঙ্কিংয়ের তফাত এবং কাঠামোগত পার্থক্যের দিক তুলে ধরেন।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে থমাস ডুলি জানান, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড কিংবা ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোর ঘরোয়া লিগ বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূর্ণ ও উন্নত। ওই দেশগুলোর ফুটবলাররা পুরো বছর জুড়েই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে খেলার মধ্যে থাকেন। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকজন ফুটবলার বুন্দেসলিগা কিংবা ইউরোপের অন্যান্য শীর্ষ লিগগুলোতে খেলে থাকেন, যা তাদের মান অনেক বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রে এই সুযোগের অভাব রয়েছে।
ডুলি বলেন, ‘শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে খেললে খেলোয়াড়দের চিন্তাভাবনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং খেলার গতি ধীরগতির হয়ে পড়ে। ফুটবলে মূল বিষয়টাই হলো গতি—কত দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে বল নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছেন এবং তা বাস্তবায়ন করছেন।’
খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডুলি জানান, শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছাতে অন্তত ১০,০০০ ঘণ্টার নিবিড় অনুশীলনের প্রয়োজন, যা বছরের পর বছর প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে কাজ করার সমান। তিনি আরও যোগ করেন, ‘মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড কিংবা ইন্দোনেশিয়ার লিগ আমাদের দেশের লিগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তারা পুরো বছর জুড়েই অনুশীলনের মধ্যে থাকে এবং প্রতি সপ্তাহে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলে। তাছাড়া ইন্দোনেশিয়ার অনেক খেলোয়াড় বুন্দেসলিগা, নেদারল্যান্ডস কিংবা ইতালির মতো ইউরোপীয় লিগে খেলছে, যা তাদের খেলায় বড় প্রভাব ফেলে।’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/১১০
































