নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দ্বাদশ বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে দলকে জয় উপহার দিলেন। শুক্রবার বিপিএলের স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারাল রাজশাহী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে পদ্মা পাড়ের দলটি। অধিনায়ক শান্ত ১০১ আর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচ শেষে সিলেট অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ দায় দিলেন অতিরিক্ত শিশিরের। মিরাজ জানান, এত রান করেও হেরে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন। ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, ‘১৯০ রান করে হার মেনে নেওয়া কঠিন। তবে উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য অনেক ভালো ছিল। উইকেটে শিশির ছিল, বল করতে কষ্ট হচ্ছিল। আফিফ ও ইমনের জুটি দারুণ লেগেছে। প্রথম ১০ ওভারে ব্যাট করা কঠিন ছিল একটু। এরপর তারা দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছে। দর্শকরা আমাদের সাথে ছিলেন। যদিও হেরে গেলাম প্রথম ম্যাচে। সামনে অনেক ম্যাচ আছে। ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছি।’
এর আগে পারভেজ হোসেন ইমনের ঝোড়ো ফিফটির ইনিংসে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯০ রানের পুঁজি পেয়েছিল সিলেট টাইটান্স। ৩৩ বলে ৫ ছক্কা ও ৪ চারের মারে ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ইমন। এছাড়া রনি তালুকদার ৪১, আফিফ হোসেন ৩৩ আর সাইম আইয়ুব ২৮ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে ৩৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন সন্দ্বীপ লামিচানে। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন বিনুরা ফার্নান্দো ও তানজিম হাসান সাকিব।
বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। ৮ বলে ১০ রান করে দলীয় ১৯ রানে আউট হন তানজিদ হাসান তামিম। শাহিবজাদা ফারহানকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাচের হাল ধরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৯ বলে ২০ রান করে দলীয় ৬২ রানে আউট হন ফারহান। এরপর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন শান্ত। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন আগ্রাসী। ৩৬ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় তুলে নেন ফিফটি। এরপর আরও মারকুটে হয়ে ওঠেন রাজশাহীর অধিনায়ক। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ মুশফিক।
৫৮ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। বিপিএল ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অন্যদিকে বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা মুশফিক ৩১ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। সিলেটের হয়ে মিরাজ ও খালেদ ১টি করে উইকেট পেলেও হতাশ করেছেন মোহাম্মদ আমির ও নাসুম আহমেদ।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডকম/নিপ্র/০০/১১০
































