স্পোর্টস ডেস্ক:: ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় হার দেখলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। এমন বড় হারের পর বরখাস্ত হয়েছেন কোচ। ম্যাচ শেষে নেইমার জানিয়েছেন, তার জীবনে এমন ঘটনা ঘটেনি। তিনি চরম লজ্জিত। ব্রাজিলিয়ান তারকা তার জীবনে এমন ঘটনা ঘটবে এমনটা কল্পনাও করেননি।
আজ সকালে দা গামার বিপক্ষে নেইমারের দল সান্তোস হেরেছে ৬-০ ব্যবধানে। পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে সান্তোস। এমন ম্যাচের পর ভেঙে পড়েছেন নেইমার নিজেও। ম্যাচ শেষে মাঠে বসেই কাঁদতে শুরু করলেন। কয়েকজন এগিয়ে এসে চেষ্টা করলেন সান্ত্বনা দিতে। ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আ’র এই ম্যাচে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি নেইমারের দল। প্রথমার্ধে এক গোল হজম করা সান্তোস দ্বিতীয়ার্ধে যেনো ফুটবল ভুলেই গেছিলো। হজম করে ফেলে আরো পাঁচ গোল।
সান্তোসের এত বড় হারের পরপরই কোচকে বরখাস্ত করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। প্রধান কোচ ক্লেবার হাভিয়েরকে বরখাস্ত করে বিবৃতি দিয়েছে ক্লাবটি। বিবৃতিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা জানিয়ে বিদায় জানায় সান্তোস।
সকালের দা গামার বিপক্ষে হারটিই নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার। এর আগে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার ছিল ৪–০ গোলের। ২০১১ সালে সান্তোসে খেলার সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে (ক্লাব -বিশ্বকাপের ম্যাচ) এবং ২০১৭ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় পিএসজির বিপক্ষে (চ্যাম্পিয়নস লিগে) হেরে ছিলো তার দল। তবে আজ সেসব ছাপিয়ে গেছে। বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে ব্রাজিলের ৭-১ গোলে হারের দিনে অবশ্য খেলেননি নেইমার নিজে।
সান্তোসের বিপক্ষে দুর্দান্ত এই জয়ে অবনমন অঞ্চল থেকেও বেরিয়ে এসেছে ভাস্কো দা গামা। ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বর অবস্থানে আছে তারা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২১ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস আছে ১৫ নম্বরে। ম্যাচের পর আবেগাপ্লুত নেইমার বলেন, ‘আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্সে আমি সম্পূর্ণ হতাশ। সমর্থকদের প্রতিবাদের পুরোপুরি অধিকার আছে, অবশ্যই সহিংসতা পরিহার করে। তারা যদি গালি দেয় বা অপমান করে, সেটারও অধিকার তাদের আছে।’
জীবনে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ করে ব্রাজিলিয়ান তারকা আরো বলেন, ‘এটা চরম লজ্জার অনুভূতি। জীবনে কখনো এমনটা হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এবার হলো। কান্না এসেছিল রাগ থেকে, যা ঘটেছে সবকিছুর জন্য। দুর্ভাগ্যবশত আমি সবদিক দিয়ে সাহায্য করতে পারি না। যা–ই হোক, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একেবারে বাজে, এটাই বাস্তবতা।’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০