স্পোর্টস ডেস্ক:: নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বেলিংহ্যামের প্রথম গোলটি নিয়ে বেশ ‘বিতর্ক’ হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, গোলের আগে বলটি স্কাই ক্যামেরার তারে লেগেছে। নিয়ম অনুযায়ী বলে কোনো বস্তুর আঘাত স্পর্শ হলে বা ক্যামেরার তারে লাগলে রেফারি সাথে সাথে খেলা বন্ধ করে বল পুনরায় চালু করে ম্যাচ শুরু করবেন।
কিন্তুু ইংলিশ তারকা বেলিংহ্যামের প্রথম গোলটি নিয়ে আপত্তি তুলে নরওয়ে। তারা দাবি জানায়, বল মাঠে থাকা স্কাই ক্যামেরার তারে লেগে গতি পরিবর্তন হয়েছে এবং এরপর বেলিংহ্যাম গোর করেছেন। ফলে গোলটি বাতিলের দাবি করে। তবে মাঠের রেফারি তাদের দাবি প্রত্যাখান করেন। ম্যাচ শেষে নরওয়ে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে কোয়ার্টারফাইনাল থেকেই বিদায় নেয়।
বিশ্বকাপ জুড়ে বিতর্ক হচ্ছে। কখনো অফসাইড, কখনো লাল কার্ড, কখনো পেনাল্টি নিয়ে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। মায়ামিতে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। আন্দ্রেয়াস শেলদেরিপকের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে একটি করে গোল করে ইংলিশদের আনন্দে ভাসান জুড বেলিংহ্যাম।
হেরে যাওয়া ম্যাচে নরওয়ে দাবি করেছে বেলিংহ্যামের প্রথম গোলটি বাতিল করা উচিত ছিলো। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে বেলিংহ্যাম গোলটি করেছিলেন। নরওয়ের দাবি ও ভিডিও রিপ্লেতেও দেখা গেছে, তাদের গোলরক্ষক আরিয়ান হশল নিলাদের গোলকিকে বল মাঝমাঠে হাওয়ায় থাকা অবস্থায় হুট করে নিচে পড়ে যায়। সেই বল পেয়ে আক্রমণে ওঠে ইংল্যান্ড এবং দুই সতীর্থের পা ঘুরে পাওয়া বল জালে পাঠান বেলিংহ্যাম।
গোলের পর নিলাদ, আর্লিং হলান্ড ও নরওয়ের কোচ স্তলে সুরবাকেন বিষয়টি নিয়ে রেফারির কাছে আপত্তি জানান। গোল বাতিলের দাবি করেন। ম্যাচ শেষে স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটি নিয়ে কথা বলেন সুরবাকেন। তিনি বলেন, “এটা আমাদের দুর্ভাগ্য ছিল। বলটি শূন্য থেকে আচমকা সোজা নিচে পড়ে যায়, যার মানে এটি তার দিক পরিবর্তন করেছে। আর এই ঘটনা আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, যা আমাদের জন্য বাজে সময় ছিল। তবে এনিয়ে কিছু করতে পারব না আমরা।”
নরওয়ের অভিযোগের পর ফিফা বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, বল তারে লাগার কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে “নরওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে, বলটি যখন শূন্যে ছিল, তখন ‘কানেক্টেড বল’-এর ভেতরের সেন্সরটি বলের ‘হার্টবিটে’ কোনো স্পাইক দেখায়নি। তাই বলটি ওভারহেড তারে স্পর্শ করেছে এবং বলের গতিপথ পরিবর্তন করেছে- এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































