নিজস্ব প্রতিবেদক: মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে অস্বস্তিতে থাকলেও দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে দুর্দান্তভাবে কামব্যাক করেছে বাংলাদেশ। দিনের শেষভাগে আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে স্বাগতিক শিবিরে। দ্বিতীয় দিন শেষে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে তারা এখনও ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনে তিন উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানে গুটিয়ে যায়। আগের দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা সাদমান ইসলাম এদিন টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন। তার ব্যাট থেকে আসে দারুণ এক ইনিংস (১০৫ রান)। এছাড়া আগের দিন ক্র্যাম্পের কারণে ৪২ রানে মাঠ ছাড়লেও আজ তৌহিদ হৃদয় বড় কিছু করতে পারেননি। মেহেদী হাসান মিরাজও দ্রুত ফিরে যান। লিটন দাস এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকলেও অন্যপ্রান্তে তাকে কেউ উপযুক্ত সঙ্গ দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে জমেল ওয়ারিকান একাই শিকার করেছেন ৫টি উইকেট।
জবাবে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনার ব্রান্ডন কিংকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছিলেন বোলাররা। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। জন ক্যাম্পবেল ও ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল মিলে পাল্টা আক্রমণ করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন। আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা-বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে ফিফটি তুলে নেন ক্যাম্পবেল। এরপর মাঠে বৃষ্টি হানা দেয়।
তবে তৃতীয় সেশনে বল হাতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ফিফটি করা জন ক্যাম্পবেলকে স্লিপে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচে পরিণত করে এই জুটি ভাঙেন। এই জুটিতে আসে মূল্যবান ৬১ রান। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি কাভিম হজও (২০ বলে ৭ রান)। দলীয় রানের খাতা খোলার আগেই আমির জাঙ্গুকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া ক্যারিবীয়দের সামাল দেন ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রিভস। দিনের বাকি সময়ে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি তারা। আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার সময় ৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন চন্দরপল এবং ১৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করবেন জাস্টিন গ্রিভস।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/১১০
































