স্পোর্টস ডেস্কঃ ঘরের মাঠে প্রীতি ম্যাচে এবার বেনিনের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। তবে বুয়েনস আইরেসের ৮৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে আগামী বুধবারের ম্যাচটি শুধু একটি সাধারণ ম্যাচ নয়, এটি হতে যাচ্ছে মহাতারকা লিওনেল মেসির দেশের মাটিতে বিদায়ী ম্যাচ। আর বিশ্বজয়ী এই অধিনায়কের বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের উন্মাদনা কতটা তুঙ্গে, তা তুলে ধরেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি।
স্কালোনি বলেন, ‘যদি পাঁচটি মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামও থাকত, তাহলেও সবগুলো দর্শক দিয়ে পূর্ণ হয়ে যেত। ম্যাচটির টিকিটের জন্য আমি চারপাশ থেকে অসংখ্য বার্তা পাচ্ছি। আমার মনে হয় এই মুহূর্ত নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, এখন শুধু তা উপভোগ করার সময়।’
২০০৫ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ে বিশ্ব ফুটবলে ইতিহাস লিখেছেন লিওনেল মেসি। জাতীয় দলকে এনে দিয়েছেন বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার মতো কাঙ্ক্ষিত সব শিরোপা। আলবিসেলেস্তাদের হয়ে এখন পর্যন্ত ২০৭ ম্যাচে ১২৫টি গোল করেছেন এই ফুটবলের জাদুকর। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি হতে যাচ্ছে তার ২০৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
মেসির অবদানের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত স্কালোনি আরও বলেন, ‘মেসি যেদিন মনুমেন্টালের মাঠে শেষবারের মতো পা রাখবে, দিনটি সবার জন্যই অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। মাঠে তার উপস্থিতি যে আবহ তৈরি করে, তা অনন্য—অন্য কারও মধ্যে আমি এমনটি দেখিনি। সে চলে গেলে দল থাকবে, ফুটবলও চলবে; কিন্তু মাঠে তার অনুপস্থিতি আমরা গভীরভাবে অনুভব করব।’
কিংবদন্তি এই ফুটবলারের রেখে যাওয়া লিগ্যাসির কথা উল্লেখ করে স্কালোনি বলেন, ‘তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দলের জন্য অদম্য ইচ্ছা। সে অনুশীলনে সবার আগে আসত এবং সবার শেষে বের হতো। সতীর্থদের জন্য এর চেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আর হতে পারে না। সে যা রেখে যাচ্ছে, তার কোনো বিকল্প হতে পারে না।’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/১১০
































