স্পোর্টস ডেস্ক: আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনাল ম্যাচে মরক্কোকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল সেনেগাল। ফাইনালে মরক্কোকে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারায় সাদিও মানের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই সুযোগ তৈরি করেছিল সেনেগাল। পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেও পাপা গুইয়ের হেড গোলরক্ষকের হাতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় মরক্কো, তবে একের পর এক শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষদিকে বিতর্ক চরমে ওঠে।
আসল নাটক শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে। ইনজুরি সময়ে মরক্কোর রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াস ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এই সিদ্ধান্তে খেপে গিয়ে সেনেগালের ফুটবলাররা প্রতিবাদ শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কোচ পাপ ঝাও তাঁর খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে ড্রেসিং রুমে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর সেনেগালের ফুটবলাররা মাঠে ফিরে আসেন। তবে পেনাল্টি নিতে এসে চরম হতাশ করেন ব্রাহিম দিয়াস। তাঁর দুর্বল ও নিচু ‘পানেনকা’ শট গোলরক্ষক অনায়াসেই আটকে দেন। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৯৪ মিনিট) মরক্কোকে স্তব্ধ করে দেন পাপ গেয়ি। ইদ্রিসা গেয়ির পাস থেকে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি বুলেট গতির শটে বল জালে জড়ান তিনি। গোল শোধে মরিয়া মরক্কো শেষ দিকে একটি হেড পোস্টে লাগলে সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধান ধরে রেখেই শিরোপা উৎসবে মাতে সেনেগাল।
ঘরের মাঠে হেরে মরক্কোর ৫০ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো না। ১৯৭৬ সালের পর তারা আর এই শিরোপা জিততে পারেনি। অন্যদিকে, এক আসর বিরতি দিয়েই আবারও আফ্রিকার মুকুট নিজেদের করে নিল সেনেগাল।
































