স্পোর্টস ডেস্ক:: ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে এবার ফিফা বিশ্বকাপের প্লে-অফ স্থগিতের দাবি উঠেছে। আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে জুড়ে। এর প্রভাব পড়ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গণেও। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের প্লে-অফ ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছেন ইরাকের প্রধান কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড।
মার্চের শেষ দিকে বিশ্বকাপের প্লে-অফে ম্যাচ রয়েছে ইরাকের। প্লে-অফের বাঁধা পেরুতে পারলেই মিলবে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট। বেশ কয়েক বছর থেকে বিশ্বকাপে জায়গা পাচ্ছে না ইরাক। ওই ম্যাচের পরই নির্ভর করছে তাদের বিশ্বকাপ খেলা না খেলা। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ইরাকের প্রস্তুুতি টিক মতো হচ্ছে না মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে।
আগামি ৩১ মার্চ মেক্সিকোর মনতেরেতে এক ম্যাচের প্লে-অফে ইরাকের মুখোমুখি হওয়ার কথা দক্ষিণ আমেরিকার দুই দল বলিভিয়া ও সুরিনামের মধ্যকার প্লে-অফ বিজয়ীর। সেই ম্যাচের ফলই নির্ধারণ করবে চার দশক পর ইরাক বিশ্বকাপে জায়গা পাবে কি না।
ইরাকের অস্ট্রেলিয়ান কোচ গ্রাহাম বর্তমান পরিস্থিতি তার দলের প্রস্তুতিকে কঠিন করে তুলেছে বলে জানিয়েছেন। তার দাবি, প্রতিবেশী দেশ ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে ইরাকের আকাশপথ বন্ধ থাকায় দল গঠনের পরিকল্পনা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
চলমান যুদ্ধের কারণে দেশটির আকাশপথ ১ এপ্রিলের আগে খোলার সম্ভাবনা নেই। অথচ প্লে-অফ ম্যাচটি নির্ধারিত রয়েছে তার আগের দিনই। ফলে দেশ থেকে খেলোয়াড়দের বের করে আনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
কোচ গ্রাহাম আরনল্ড সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সংবাদ সংস্থাকে বলেন, ‘এই ম্যাচটি নিয়ে আমাদের সাহায্য করার জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রতি অনুরোধ করছি। এই মুহূর্তে আমরা ইরাক থেকে খেলোয়াড়দের বের করতেই হিমশিম খাচ্ছি।’
ইরাক দলের প্রায় ৬০ শতাংশ খেলোয়াড় দেশটির ঘরোয়া লিগ থেকে নির্বাচিত। কিন্তু আকাশপথ বন্ধ থাকায় তারা দেশ ছাড়তে পারছেন না। দলের দোভাষী ও সহকারী কর্মকর্তারাও একই সমস্যায় আটকে আছেন। বিশ্বকাপ প্লে-অফের আগে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে একটি প্রস্তুতি শিবির আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল; কিন্তু ভিসা ও ভ্রমণ অনিশ্চয়তার কারণে সেটিও ইতোমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০
































