স্পোর্টস ডেস্ক:: ফুটবলীয় সৌন্দর্য্য ছিলো না। ছিলো না খুব একটা লড়াই। বল দখলের লড়াই পেরিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়রা লড়াই করেছেন বেশি। হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। শৈল্পিক ফুটবলের বাইরে যা হওয়ার, তা অনেকটাই হয়েছে।
পুরো ম্যাচ জুড়ে একের পর কঠীন ট্যাকল, ধাক্কাধাক্কি, বাক-বিতণ্ডার ভরপুর এক ম্যাচ শেষে কোয়ার্টারফাইনালে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে একমাত্র গোলটি করে ফ্রান্সকে তুলেছেন শেষ আটে। কথার লড়াই আর বাজে আচণের এক ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ে বাড়ি ফিরেছে ১-০ ব্যবধানে হেরে।
সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ে ফ্রান্সকে মুখোমুখি হতে মরক্কোর। রাতের ম্যাচে কানাডাকে দুর্দান্ত এক ম্যাচে হারিয়ে শেষ আট আগেই নিশ্চিত করেছিলো মরক্কো। শৈল্পিক ফুটবলে কানাডাকে পরাস্ত করে মরক্কো বিশ্বকাপে দারুণ সময় কাটাচ্ছে।
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই প্যারাগুয়ে রক্ষণাত্মক খেলতে থাকে। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের একের পর এক আক্রমণ বারবার আটকে গেছে পাঁচ ডিফেন্ডারের গড়া প্যারাগুয়ের রক্ষণে।
ম্যাচের প্রথম আধঘন্টা ভালো খেলতে থাকে দুই দলই। তবে এরপরই ঘটে বিপত্তি। ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে ভিন্ন এক ঘটনায় প্রথম বড় উত্তেজনা দেখা দেয়। আন্দ্রেস কুবাসের ট্যাকলে এমবাপ্পে মাটিতে পড়ে গেলে দুই দলের খেলোয়াড়েরা ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ পরিস্থিতি সামাল দেন সে যাত্রায়।
ফরাসিদের একের পর এক আক্রমণ সামলে ৬৫ মিনিট পর্যন্ত সমতা ধরে রাখে প্যারাগুয়ে। বদলি নামা দেজিরে দুয়ে দারুণ নৈপুণ্যে বক্সে ঢুকে পড়া দুয়েকে পেছন থেকে ফেলে দেন দিয়েগো গোমেজ। রেফারি প্রথমে খেলা চালিয়ে গেলেও ভিএআরের পরামর্শে মনিটর দেখে সিদ্ধান্ত বদলান। পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। ৭০ মিনিটে স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। শান্ত মাথায় নিচু শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফরাসি অধিনায়ক। এই একমাত্র গোলের লিডে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।
উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচটিতে দুই দলের খেলোয়াড়েরা ম্যাচজুড়ে বিচ্ছিন্নভাবে হাতাহাতিতে জড়ান। একের পর এক ট্যাকলের শিকারে বিরক্ত হয়ে ৭৭ মিনিটে কাসেরেসকে ফেলে দেন এমবাপ্পে। যোগ করা সময়ে গালারজার কড়া ট্যাকলের শিকার হওয়া ওলিসেও কিছুক্ষণ পর প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডারকে পাল্টা ফেলে দেন। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ালে দ্রুত তাঁদের আলাদা করা হয়। পরিস্থিতি সামলাতে ফ্রান্স কোচ দেশমকে ম্যাচের মধ্যেই একাধিকবার দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঝে দাঁড়িয়ে বাধা দিতে দেখা গেছে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































