স্পোর্টস ডেস্ক:: বাংলাদেশের কিংবদন্তী দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। রাজনীতিতে পা দিয়ে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে কলঙ্কের কালি লাগিয়েছেন। মহানন্দিত থেকে হয়েছে নিন্দিত। বাঙালীদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় তারকা থেকে হয়েছেন সমালোচিত, বাদ যাননি হত্যা মামলার আসামী থেকেও।
দেশের ক্রিকেটাঙ্গণে তাদের অবদান রাখার কথা, উল্টো তারা দেশান্তরীণ। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সাবেক এই দুই তারকা যখন রাজনীতিতে জড়িয়ে ছিলেন তখন থেকেই আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না যাওয়ার অনুরোধ রকেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পেশাদার খেলোয়াড়রা কোনো দল বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নয়- তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে তাদের ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে।’
সোমবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ক্রীড়াভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ক্রীড়া কার্ড ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই নিজ যোগ্যতায় বিজয়ী হয়ে দেশের মর্যাদা বাড়িয়েছেন। খেলাধুলার বিভিন্ন শাখায় যারা ইতোমধ্যে সাফল্য অর্জন করেছেন, তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। প্রতিটি বিজয়ের পেছনে প্রতিপক্ষ থাকে। প্রতিপক্ষ আছে বলেই বিজয়ের আনন্দ পাওয়া যায়। খেলাধুলায় পরাজয় মানে হেরে যাওয়া নয়, বরং জয়েরই একটি অংশ।’
তিনি আলবার্ট আইনস্টাইনের উদ্ধৃতি টেনে বলেন, ‘যে মানুষটি কখনো পরাজিত হয়নি, সে কখনো কিছুই করেনি।’ সরকারের অন্যান্য উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা এবং সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালু হবে। এর ধারাবাহিকতায় চালু হলো ‘ক্রীড়া কার্ড’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ক্রিকেট ও ফুটবল সবচেয়ে জনপ্রিয় হলেও আর্চারি, বক্সিং, ইয়োগা, জিমন্যাস্টিকস, ক্যারম, ভারোত্তোলন, উশু, সাঁতার, প্যারা সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, প্যারা অ্যাথলেটিক্স, কারাতে, সেপাক টাকরো, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ভলিবল, হুইলচেয়ার বাস্কেটবল, ব্রিজ, ফুটসাল ও ব্যাডমিন্টনের মতো খেলাগুলোও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০
































