নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেট টেস্টে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের। কিন্তু পারেন নি তিনি মাইলফলক স্পর্শ করতে। ব্যক্তিগত ৮৬ রানে ফিরেছেন তিনি। এর আগে ফিরেন মুমিনুল হকও। দুই সেট ব্যাটারকে দুই ওভারে হারাল বাংলাদেশ।
নাজমুল হোসেন শান্তর মতোই ঠিক ৩৭ রানে আউট হলেন মুমিনুল হক। সেই গ্লেন ফিলিপসের বলে। মুমিনুলের ব্যাটের কানায় লেগে বল আশ্রয় নেয় কিপারের গ্লাভসে। ৭৮ বলে ৪ চারে ৩৭ রান করেন তিনি। এরপর ফিরেন জয়। ইশ শোধীর বলে স্লিপে ক্যাচ দেন এই ওপেনার।
আউট হওয়ার আগে মাহমুদুলের সঙ্গে মিলে মুমিনুল গড়েছিলেন ৮৮ রানের জুটি। এর আগে মাহমুদুল প্যাটেলের বলে চার মেরে পঞ্চাশে পৌঁছান। টেস্টে এটি তাঁর চতুর্থ অর্ধশতক। ১০ টেস্টের ক্যারিয়ারে শতক আছে একটি। সেটা ডারবানে, ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।
সিলেটে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেন নি জাকির হাসান। বাংলাদেশ ওপেনার ব্যক্তিগত ১২ রানে বোল্ড হন। কিউই স্পিনার পাটেলের স্পিন ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়েছেন তিনি। মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসানের ওপেনিং জুটি ভাঙে দলীয় ৩৯ রানে। শুরু থেকেই খানিকটা নড়বড়ে ছিলেন জাকির। বাঁহাতি এই ব্যাটার শুরুতে নিউজিল্যান্ডের পেসার কাইল জেমিসনের করা দ্বিতীয় ওভারেই ফিরতে পারতেন এলবিডব্লিউ হয়ে। অল্পের জন্য বেঁচে যান ব্যাটের কানা ছুঁয়ে যাওয়ার কারণে। পরে টিম সাউদির বলেও স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারেননি জাকির।
স্পিনার অ্যাজাজের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে টার্ন করে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে জায়গা বানিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন জাকির। তবে ব্যাটে-বলে করতে পারেননি বাঁহাতি এই ওপেনার। ফলে বোল্ড হয়ে ফিরে যেতে হয় ৪১ বলে ১২ রান করা এই ব্যাটারকে। তিনে নেমে জয়ের সাথে পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েন শান্ত। ৬৬ বলে তারা এই জুটি গড়েন। এরপরই অবশ্য দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৫ বলে ৩৭ রান করেন শান্ত। তার বিদায়ে ভাঙল ৫৩ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। চার নম্বরে নেমেছেন মুমিনুল হক।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/১১০
Discussion about this post