স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল শুরুর আগে সব আলো ছিলো কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালের দিকে। দুই দলের এই দুই বড় তারকার প্রতি প্রত্যাশা ছিলো সমর্থকদের। ম্যাচ শেষে যদিও লামিন ইয়ামাল ফাইনালিস্ট, তবুও ম্যাচে তিনি ব্যর্থ। গোলের খেলা ফুটবলে গোল করতে পারেননি তিনি।
কিলিয়ান এমবাপ্পে বিশ্বকাপ জুড়ে রীতিমতো ভয় ছড়াচ্ছিলেন। ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে। সেই তিনিও দলের এমন মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিষ্প্রান। যেনো ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। বারবার প্রতিপক্ষর অফসাইডের ফাঁদে পড়েছেন। সুযোগও মিস করেছেন বেশ কয়েকবার। এমবাপ্পের মতোই নিষ্প্রাণ ছিলেন দলটির আরেক বড় তারকা দেম্বেলে।
বল পায়ে নিজের কাজটা টিকমতো করতে পারেননি ফরাসি তারকা এমবাপ্পে। ফলটাও পেলেন হাতে নাতে। বিশ্বকাপের মঞ্চ তেকে বিদায় নিতে হলো তার দলকে। অথচ ম্যাচ শুরুর আগে কতশত আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা। সমর্থকদের প্রত্যাশার বিপরীতে এমবাপ্পে ম্যাচে ছিলেন ছন্দহীন। তাই গতবারের রানার্সআপরা এবার আটকে গেলেন সেমিফাইনালে। ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন। স্প্যানিশ ফুটবলের গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন এমবাপ্পেরা।
দ্বিতীয সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে জয়ী দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথম সেমিফাইনাল নিজেদের করে নিয়েছে স্প্যানিশরা।
ফ্রান্সকে বিদায় করে দিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো স্পেন। এর আগে একবার বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের আসরে ফাইনাল খেলেছিলো স্পেন। প্রথমার্ধের এক গোলের সঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধের আরেক গোলে স্প্যানিশরা জিতেছে ২-০ ব্যবধানে।
পুরো বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলা ফ্রান্স সেমিফাইনালে এসে যেনো খেই হারালো। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পেও এদিন ব্যর্থ। বারবার অফসাইডের ফাঁদে পড়েছেন, মিসও করেছেন।
ম্যাচের মাত্র ২২তম মিনিটেই লিড নেয় স্পেন। মিকে৫ল ওইয়ারসাবাল ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন দলকে। তার আগে ফরাসিদের বিপদজনক সীমানায় ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। পেনাল্টি থেকে গোর করতে মিস করেননি মিকেল ওইয়ারসাবাল। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ফ্রান্স। তবে বারবার ভুল বাস আর সুযোগ মিসের কারণে ম্যাচে ফেরা হয়নি তাদের। উল্টো বিরতি থেকে ফিরেই স্পেন ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে পেদ্রো পোরো দারুণ একটি গোল করলে স্পেন এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।
ম্যাচের বাকীটা সময় এমবাপ্পেরা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ করলেও স্প্যানিশদের দুর্গে আঘান হানতে পারেনি। পুরো বিশ্বকাপে ভালো করেও তাই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হলো তাদেরকে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































