স্পোর্টস ডেস্ক:: পাকিস্তান ক্রিকেটের চাচা বলা হয় তাকে। বয়সের কোটা ৩৩ পেরিয়ে গেছে। তবে এখনো তিনি পারফর্ম করেই টিকে আছেন তারুণ্যের ভীড়ে। পাকিস্তান ক্রিকেটের চাচা ইফতেখার আহমদ দাবি করলেন, তিনি চাচা নন, যবুকই।
পাকিস্তান দলের এই হার্ডহিটিং অলরাউন্ডারকে চাচা বলে ডাকা হচ্ছে। যেটার শুরুটা করে ছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ইফতেখার জানালেন, সব সময় চাচা শুনতে তার ভালো লাগে না। সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে হাসতে হাসতে বললেন, ‘আমি চাচা নই, যুবক।’
টি-২০ বিশ্বকাপে আছেন পাকিস্তান দলেও। বাবর আজমের দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইফতেখার আহমদ। গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার সেই চাচা হয়ে উঠার গল্প। ইফতিখার সেই গল্প জানাতে গিয়ে বলেন, ‘দেখুন মানুষ এই নাম বানিয়েছে, আর মানুষ কী বলছে, সেটাকে আমি খুব বেশি গুরুত্ব দেই না। এর পেছনে ছোট্ট একটা গল্প আছে। জিম্বাবুয়েতে একবার আমি বোলিং করছিলাম, ব্যাটিংয়ে ছিল টেলর (ব্রেন্ডন)। বল ঘুরছিল। আমি বাবরকে বললাম, মিডউইকেট থেকে ফিল্ডার সরিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে দিতে। কারণ যদি সে (টেলর) মিডউইকেটে বল হিট করতে যায়, বলের স্পিনের কারণে সেটা স্কয়ার লেগে যেতে পারে।’
জবাবে পাকিস্তান অধিনায়ক ইফতেখার কে কী বলে ছিলেন সেটা জানিয়ে ইফতেখার বলেন, ‘বাবর তখন বলে, সে তো আপনাকে ছক্কা মেরে দেবে। আমি বলেছিলাম, কী আর হবে এটা তো একটা বলই মাত্র। তারপর সে ফিল্ডার বদল করে। পরের ডেলিভারিতেই টেলর হিট করে, সোজা স্কয়ার লেগে আউট হয়ে যায়। বাবর খুবই খুশি ছিল। সেই খুশিতে সে বলে উঠে ‘আপনি হলেন চাচা-ই-ক্রিকেট’। আপনি খুবই তীক্ষ্মবুদ্ধির। সেই কথাটাই স্টাম্প মাইক্রোফোনে ধরা পড়ে এবং যখন আমি বাসায় ফিরি; সবাই বলতে থাকে চাচা-ই-ক্রিকেট, চাচা-ই-ক্রিকেট। আমি বুঝতে পারছিলাম না, কেন এসব হচ্ছে। মানুষ কেন এসব বলছে!’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০
Discussion about this post