স্পোর্টস ডেস্ক: বিপিএলে ফিক্সিং কাণ্ডে এবার নিষিদ্ধ হলেন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক ও আরো একটির টিম ম্যানেজার। নতুন করে দু’জনকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বোর্ড।
এর আগে বিসিবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে ফিক্সিংয়ের জন্য আরো তিনজনকে নিষিদ্ধ করেছিলো। সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলামের বোর্ডের সাবেক পরিচালক মোখলেছুর রহমানসহ প্রথম দফায় তিনজন নিষিদ্ধ হওয়ার পর এবার দ্বিতীয় দফায় আরো দু’জন নিষিদ্ধ হলেন।
নতুন করে নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক আব্দুল কাইয়ুম ও দুর্বার রাজশাহীর ম্যানেজার আমিন খানকে। বিপিএলের সবশেষ আসরে ফিক্সিংয়ের জন্য তাদেরকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিসিবি। বিপিএলের গত আসরে শুরুতে চট্টগ্রাম রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়েছিল ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেস। তবে ক্রিকেটারদের টাকা দিতে না পেরে টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন মালিকানা ছেড়ে দিতে বিসিবিকে চিঠি দেন স্বত্বাধিকার আব্দুল কাইয়ুম।
বিপিএলে চট্টগ্রাম দলটিকে শেষ পর্যন্ত পরিচারনা করে বিসিবি। পারফরম্যান্সও দারুণ করে বিসিবির পরিচালনাধীন দলটি। তার আগেই মালিক আব্দুল কাইয়ুম ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী ৪টি ধারা ভাঙার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফলাফল বা যেকোনো অংশ বেআইনিভাবে প্রভাবিত করা; ফিক্সিং করা বা ফিক্সিংয়ের কোনো পরিকল্পনা বা চুক্তির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং দুর্নীতির জন্য পাওয়া কোনো প্রস্তাবের বিস্তারিত তথ্য দুর্নীতিবিরোধী অফিসারকে না জানানো।
কোনো উপযুক্ত কারণ ছাড়াই দুর্নীতিবিরোধী অফিসারের তদন্তে সাহায্য না করা, যার মধ্যে নিজের ব্যবহৃত মূল মুঠোফোনটি জমা দেওয়ার নির্দেশ না মানাও অন্তর্ভুক্ত এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মূল মুঠোফোনটি দিতে অস্বীকার করে তদন্তে বাধা তৈরির অভিযোগ রয়েছে কাইয়ুমের বিরুদ্ধে।
বিপিএলের ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী ও ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার ও টিম অফিশিয়াল হিসেবে কাজ করেন আমিন খান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী চারটি ধারা ভাঙার অভিযোগ আনা হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল বা যেকোনো অংশ বেআইনিভাবে প্রভাবিত করা, ফিক্সিং করা বা ফিক্সিংয়ের কোনো পরিকল্পনা বা চুক্তির সঙ্গে যুক্ত থাকা। অন্য কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতি করতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্ররোচিত করা, উৎসাহিত করা বা সাহায্য করা। পাশাপাশি উপযুক্ত কারণ ছাড়াই দুর্নীতিবিরোধী অফিসারের নির্দেশ বা চাওয়া অনুযায়ী তদন্তে সাহায্য না করা বা সহযোগিতা করতে অস্বীকার করা। তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বা মেসেজ লুকিয়ে ফেলা বা ধ্বংস করে তদন্তে বাধা দেওয়া বা দেরি করানোর অভিযোগ আছে আমিন খানের বিরুদ্ধে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































