স্পোর্টস ডেস্ক:: মেহেদী হাসান মিরাজের দল আগেই সিরিজ হেরে গেছে। সিরিজের শেষ ম্যাচ হারলেই হোয়াটওয়াশ হতো। তানজীদ তামিম আর সৌম্য সরকারের ব্যাটে ধবলধোলাই থেকে রক্ষা পেয়েছে টাইগাররা। সিরিজের শেষ ম্যাচটি জিতেছে ৭ উইকেটের ব্যবধানে। জিম্বাবুয়ে সিরিজ জিতলো ২-১ ব্যবধানে।
আগে ব্যাট করা স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ওয়েসলে মাধভেরে ও ব্রেড ইভান্সের ব্যাটে চড়ে ১৯৯ রান তুলেছিলো। জবাবে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ ওপেনার তানজীদ তামিমের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপের দিনে ম্যাচ জিতেছে সাত উইকেটের ব্যবধানে।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ের আগের দুই ম্যাচের মতোই শুরুতে উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে। তবুও দলটি ঘুরে দাঁড়ায় দু’জনের হাফ সেঞ্চুরিতে। ইনিংসের ১১ বল বাকী থাকতে অলআউট হয় ১৯৯ রানে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ওয়েসলে মাধভেরে। ৭৪ বলের দায়িত্বশীল ইনিংসে একটি ছক্কা ও চারটি চার হাঁকিয়েছেন তিনি। আরেক হাফ সেঞ্চুরিয়ান ব্রেড ইভান্স ৫০ রান করেন ৪৩ বলে। হাঁকিয়েছেন পাঁচটি চার ও দু’টি ছক্কা। ২৫ রান করেছেন ইনোসেন্ট কাইয়া।
বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল চারটি, তানভীর ও তাসকিন ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
২০০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজীদ তামিমের ব্যাটেই পেয়ে যায় জয়ের ভিত্তি। দু’জনে মিলে উদ্বোধী জুটিতে তুলেন ১৫১ রান। ইনিংসের ২৮তম ওভারের চতুর্থ বলে হাফ সেঞ্চুরিয়ান সৌম্যের বিদায়ে ভাঙে সেই জুটি। সাজঘরে ফেরার আগে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৮২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
সৌম্যের বিদায়ের পর আরেক ওপেনার তানজীদ তামিম সেঞ্চুরির পথেই এগুচ্ছিলেন। তবে শেষ দিকে আর পারেনিন। ৯৪ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন মাত্র ছয় রানের আক্ষেপ নিয়ে। ৩ ছক্কা ৮ চারে ১১১ বলে বাংলাদেশকে জয় এনে দেওয়া ইনিংসটি খেলেন তিনি। তার বিদায়ের পর উইকেটে যাওয়া হৃদয় রানের খাতা খুলার আগেই ফিরেন প্যাভেলিয়নে। ১৮ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন শান্ত।
জিম্বাবুয়ের হয়ে মাসুকু ২টি উইকেট লাভ করেন।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































