স্পোর্টস ডেস্ক:: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তপক্ষের জন্য আইসিসি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আইসিসির সবশেষ বোর্ড সভাতে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। এবার প্রথমবার আয়োজন হতে যাওয়া নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক স্বত্বও হারালো দলটি। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কা নারী দলের অংশ গ্রহণও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে শ্রীলঙ্কা বোর্ডের বিরোধ চরমে পৌঁছালো। সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে আরো একবার আইসিসি শ্রীলঙ্কাকে বড় শাস্তি দিলো। ২০২৭ সালের প্রথম নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক ছিলো শ্রীলঙ্কা। এবার শ্রীলঙ্কা বাদ দিয়েছে আইসিসি। অন্য কোনো দেশে আয়োজন হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আয়োজক স্বত্ব হারানো আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শ্রীলঙ্কা।
প্রথমবারের মতো আইসিসি নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আগামী বছরের ১৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্টিত হওয়ার কথা। হিন্দুস্তান টাইমস শ্রীলঙ্কা থেকে টুর্নামেন্টটি সরিয়ে নিয়েছে আইসিসি। নতুন আয়োজক দেশ কে হবে সেটি আইসিসির পরবর্তী সভায় নির্ধারিত হবে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) বর্তমানে সরকার নিয়োগ করা একটি ‘ট্রান্সফরমেশন কমিটি’র অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। আর এখানেই আইসিসির সঙ্গে মূল দ্বন্দ্ব।
আইসিসির নীতি অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ড হতে হবে সরকারি প্রভাব মুক্ত। সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ডকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতে হবে এবং সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। এসএলসির ট্রান্সফরমেশন কমিটির সচিব প্রকাশ শ্যাফটার সানডে টাইমস-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটি শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্য একটি ভেন্যুতে টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই মুহূর্তে আমি নিশ্চিত নই, কোথায় আয়োজন করা হবে।’
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকে ঢেলে সাজাতে কাজ করছে ট্রান্সফরমেশন কমিটি। এই কমিটি এসএলসির কাঠামো ও গঠনতন্ত্রে প্রস্তাবিত পরিবর্তন আনবে। অপর দিকে আইসিসি শুরু থেকেই দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে একটি নির্বাচিত বোর্ড ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ দিয়ে আসছে। কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইসিসি বোর্ডের সভায় অংশ নেওয়া থেকেও শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিদের বিরত রাখা হয়েছে। গত জুলাইয়ের আইসিসি সভাতেও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজনের ওপর আবারও জোর দেয় আইসিসি।
ছয় দলের নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নেবে শীর্ষ পাঁচ দল এবং আয়োজনকারী দেশ। শ্রীলঙ্কা নারী দল র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে। নতুন আয়োজক দেশটি যদি র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ের বাইরে অবস্থান করে তবে আয়োজক হওয়ায় ষষ্ট দেশ হিসেবে তারা অংশ গ্রহণ করবে এবং শ্রীলঙ্কা অংশ গ্রহনের সুযোগ হারাবে।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































