নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রান উৎসবের মধ্য দিয়ে ড্রয়ে শেষ হলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) সিলেট ও ঢাকা বিভাগের মধ্যকার ম্যাচটি। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চার দিনের এই ম্যাচের শেষ দিনেও দেখা মিলেছে দুটি সেঞ্চুরির। এই ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে সেঞ্চুরি হয়েছে মোট পাঁচটি, আর ফিফটি দেখা গেছে ছয়টি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ম্যাচের চতুর্থ দিনের শুরুতে মাইলফলক স্পর্শ করেন সিলেটে তরুণ ব্যাটার আশরাফুল হাসান রিহাদ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাত ম্যাচ খেলে দেখা পান সেঞ্চুরির এটিই তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৭টি চারের মারে ২৫৯ বলে ১২২ রানের এক ইনিংস উপহার দেন তিনি। অন্য প্রান্তে পেস বোলিং অলরাউন্ডার তোফায়েল আহমেদ থামেন ৭৩ রান করে। শেষ দিনে সিলেট বাকি ৫ উইকেটে ২০.১ ওভারে ৬৭ রান যোগ করে প্রথম ইনিংসে ৪৯৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে ঢাকা বিভাগ প্রথম ইনিংসে ৫১ রানের লিড পায়। ঢাকার পক্ষে লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ২৯তম ম্যাচে এসে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা শুরুতে কিছুটা বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ওভারেই ঢাকার দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন সিলেট পেসার ইকবাল হোসেন। এরপর আমিনুলও দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে সেই বিপদ বাড়তে দেননি তরুণ ব্যাটসম্যান আশিকুর রহমান। একপ্রান্ত আগলে রেখে মার্শাল আইয়ুব ও মাহিদুল ইসলামকে নিয়ে ঢাকা দলকে খেলায় ফিরিয়ে আনেন। ষষ্ঠ উইকেটে তাইবুর রহমানের সাথে আশিকুর গড়ে তোলেন ৭৭ রানের কার্যকর এক জুটি। তাইবুর ফিফটি করে আউট হলেও আশিকুর তুলে নেন তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ৪র্থ সেঞ্চুরি। ১৭ ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ২১ ছুঁইছুঁই এই টপ-অর্ডার ব্যাটার ১০১ রানের দুর্দান্ত অপরাজিত ইনিংস খেলে পূর্ণ করেন ১ হাজার রানের মাইলফলকও।
ঢাকা ৬ উইকেটে ২১৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে সিলেটের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭১ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে সিলেট ২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২ রান করার পর দুই দলের অধিনায়ক ড্র মেনে নেন।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/১১০































