নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ। শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচে আগে ব্যাট করে নেদারল্যান্ডস। নির্ধারিত ওভারে ১৩৬ রান করে ডাচরা। রান তাড়ায় অধিনায়ক লিটন দাসের ফিফটি ও সাইফ হাসানের ঝড়ো ব্যাটে বড় জয় পায় টাইগাররা। ডাচদের ১৩৬ রান তাড়া পেরিয়ে গেছে ৩৯ বল বাকি থাকতে। বলের হিসেবে টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের তৃতীয় বড় জয়।
২৯ বলে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ২৯ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন। তার সঙ্গে মাত্র ২৬ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়া সাইফ ১৯ বলে খেলেন ৩৬ রানের জুটি। তার ইনিংস গড়া ১ চার ও তিন ছক্কা। শেষ দুটি ছক্কায় চতুর্দশ ওভারে ম্যাচ শেষ করে দেন তিনি। রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়েছিল। ২ ওভারেই ২৫ রান তুলে ফেলে পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ তামিমের উদ্বোধনী জুটি। প্রথম ওভারেই ২ চার ও এক ছয়ে ঝড় তোলা ইমন ৯ বলে ১৫ রান করে আরিয়ান দত্তের শিকার হন।
ওয়ানডাউনে নেমে লিটন রানের চাকা সচল রেখে পরে হাত খুলে খেলতে শুরু করেন। ২৬ বলে লিটন হাফসেঞ্চুরি করার আগে তানজিদ আউট হন ২৪ বলে ২৯ রান করে। এই হাফসেঞ্চুরি দিয়ে যৌথভাবে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ হাফসেঞ্চুরিয়ান বনে গেছেন লিটন। সাকিব আল হাসানের মতো তার নামের পাশেও এখন ১৩টি ফিফটি। তানজিদ আউট হওয়ার পর নামা সাইফ প্রথম ১৬ বলে মাত্র একটি চার ও একটি ছয় হাঁকান। ১৪তম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা মেরে শেষটা রাঙান তিনি।
আগে ব্যাট করতে নামা নেদারল্যান্ডস প্রথম ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২৫ রান তুলে নেয়। তবে চতুর্থ ওভারে বল হাতে নিয়েই ডাচদের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন তাসকিন। প্রথম বলেই তিনি ফেরান ২৩ রান করা ম্যাক্স ও’দাউদকে। আরেক ওপেনার বিক্রমজিত সিং ১১ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান করে সফরকারীরা। দুই ডাচ ওপেনারকেই ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। তিনে নামা তেজা নিদামানুরু ক্রিজে টিকে ছিলেন। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস খেলেন ৭ বলে ১২ রানের ইনিংস। নিদামানুরু ২৬ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন। দুজনকেই ফিরিয়েছেন সাইফ হাসান।
১৪ বলে ১৫ রান করা শারিজ আহমেদকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। শেষ দিকে নিজের টানা দুই ওভারে কাইল ক্লেইন এবং নোয়াহ ক্রসকে ফেরান তাসকিন। আরিয়ান দাত ৮ বলে ১৩ রান করে টিকে ছিলেন। ১৪ বলে ১৬ রান করে আউট হয়েছেন টিম প্রিঙ্গল। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তাসকিন। ২ উইকেট নেন সাইফ হাসান। মুস্তাফিজুর রহমান শিকার করেছেন ১ উইকেট। শেখ মেহেদি ৪ ওভারে কোনো উইকেট না পেলেও খরচ করেন মাত্র রান।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০০