নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রথমবার বিপিএলে অংশ নিয়ে শুরুটা ভালো করতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারলো না দলটি।
সিলেটে সোমবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে কোনোমতে ১২৪ রান তোল নোয়াখালী। জবাব দিতে নেমে ১৩ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রাজশাহী। আর তাতেই টানা তৃতীয় হারের স্বাদ পেলো নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাট হাতে ঝড়ো শুরু করে নোয়াখালী। প্রথম ওভারেই তোলে ১৮ রান। এরপর ছন্দপতন। বিনুরা ফার্নান্দোর বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাবিবুর রহমান সোহান। ৬ বলে ৫ রান করেন তিনি। আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতের ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে ২৫ রান। ওয়ানডাউনে নেমে ১১ বলে ৬ রান করেন সাব্বির হোসেন।
রিপন মন্ডলের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি নোয়াখালী। তার তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। নোয়াখালীর সাতজন ক্রিকেটার বিদায় নেন দুই অঙ্কের রান স্পর্শ করার আগে। দলের পক্ষে ২৮ সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন অধিনায়ক হায়দার আলী। তিনিও শিকার হয়েছেন রিপনের। ২৭ বলে ২২ রান করেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
রাজশাহীর পক্ষে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ১৩ রানে ৪ উইকেট নেন রিপন। দুই উইকেট পান তানজিম পান দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন ফার্নান্দো ও হুসেইন তালাত।
জবাব দিতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শুরুটা ভালো হয়নি। স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই শাহিবজাদা ফারহানের উইকেট হারা। এরপর অবশ্য ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি রাজশাহী। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৩৮ বলে ৬৫ রানের জুটি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম।
দলীয় ৬৭ রানে ফেরেন শান্ত, ২০ বলে ২৪ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটারকে হাসান মাহমুদের ক্যাচ বানান রাজা। তারপর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তামিমও। ২০ বলে ২৯ রান করে ফেরেন জহির খানের বলে বোল্ড হয়ে। হুসেইন তালাতও ফিরেছেন দ্রুতই। ৯ বলে ৩ রান করে ফেরেন হাসান মাহমুদের বলে মাজ সাদাকাতের হাতে ক্যাচ দিয়ে।
এরপর আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী রাব্বি। দুজনে মিলে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। মুশফিক অপরাজিত থাকেন ৩০ বলে ২৮ রানে, আর ইয়াসির অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ২৩ রানে। নোয়াখালীর হয়ে হাসান মাহমুদ নেন ২টি উইকেট।































