স্পোর্টস ডেস্কঃ আসন্ন এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের স্বর্ণপদক অর্জনের লড়াই জমে উঠেছে। ভারত ও পাকিস্তান জাতীয় দলের একাধিক তারকা ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করার পর নিজেদের ভাবনায় বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
প্রাথমিকভাবে বিসিবির পরিকল্পনা ছিল হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) বা উদীয়মান ক্রিকেটারদের দলটিকেই এশিয়ান গেমসে পাঠানো। কিন্তু মূল প্রতিদ্বন্দ্বীদের এমন শক্তিশালী অবস্থান দেখে বোর্ড তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে জাতীয় দলের শীর্ষ তারকাদের নিয়ে গঠিত একটি পূর্ণশক্তির দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারকা ব্যাটার লিটন দাসের অধিনায়কত্বে গেমসে অংশ নেবে বাংলাদেশ দল এবং দলটির কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সিনিয়র কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
এশিয়ান গেমসের সোনা জয়ের লক্ষ্যে ঘোষিত স্কোয়াডে বাংলাদেশের মূল তারকাদের নাম রাখা হয়েছে। লিটন দাসের নেতৃত্বে এই দলে আছেন তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।
একই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে মাঠে নামছে ভারত ও পাকিস্তানও। শ্রেয়াস আইয়ারের অধিনায়কত্বে ভারত তাদের দলে রেখেছে জাসপ্রীত বুমরাহ, সঞ্জু স্যামসন, ইশান কিশান, অক্ষর প্যাটেল ও আরশদীপ সিংয়ের মতো শীর্ষ তারকাদের। অন্যদিকে পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দেবেন সাহিবজাদা ফারহান; দলটিতে আরও আছেন আবরার আহমেদ, সাইম আইয়ুব ও উসমান খানের মতো উদীয়মান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররা।
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টে প্রধান এই তিন পরাশক্তি ছাড়াও পদকের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে আফগানিস্তান, নেপাল, জাপান ও ওমান। সব মিলিয়ে এবারের গেমসে সোনা জয়ের লড়াইটি একটি অত্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে রূপ নিতে যাচ্ছে।
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের জন্য দলগুলোর পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড:
বাংলাদেশ স্কোয়াড: লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।
ভারত স্কোয়াড: শ্রেয়াস আইয়ার (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), শিভম দুবে, নীতিশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, বরুণ চক্রবর্তী, রবি বিষ্ণই, জাসপ্রীত বুমরাহ, হার্শিত রানা, আরশদীপ সিং ও বৈভব সূর্যবংশী।
পাকিস্তান স্কোয়াড: সাহিবজাদা ফারহান (অধিনায়ক), আব্দুল সামাদ (সহ-অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, আকিপ জাভেদ, হায়দার আলী, সাইম আইয়ুব, উসমান খান (উইকেটরক্ষক), আরাফাত মিনহাস, সালমান মির্জা, সাদ মাসুদ, সুফিয়ান মুকিম, হাসান নওয়াজ, আলী রেজা ও মাআজ সাদাকাত।
আফগানিস্তান স্কোয়াড: দরউইশ রাসুলি (অধিনায়ক), আব্দুল্লাহ আহমাদজাই, মোহাম্মদ আকরাম, ইসমত আলম, ফরিদুল্লাহ দাউদজাই, হাসান ঈসাখিল, মোহাম্মদ ইশাক (উইকেটরক্ষক), করিম জানাত, ফয়সাল খান, নাঙ্গিয়াল খারোটি, ইমরান মীর, আরবগুল মোমান্দ, ফরমানউল্লাহ সাফি, খালিদ তানিওয়াল ও নজিবুল্লাহ জাদরান।
নেপাল স্কোয়াড: দীপেন্দ্র সিং ঐরী (অধিনায়ক), লোকেশ বাম (উইকেটরক্ষক), কুশল ভুরতেল, গুলশান ঝা, সন্দীপ জোরা, সোমপাল কামি, করণ কেজি, সন্দীপ লামিছানে, কুশল মল্লা, শের মল্লা, রোহিত পাউডেল, ললিত রাজবংশী, আরিফ শেখ, আসিফ শেখ (উইকেটরক্ষক) ও নন্দন যাদব।
জাপান স্কোয়াড: কেকেন্ডেল কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং (অধিনায়ক), চার্লি হারা-হিঞ্জে, বেঞ্জামিন ইতো-ডেভিস, অ্যালেস্টার কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং, কোহেই কুবোতা, জেক কুসুদা-নেয়ার্ন, ওয়াতারু মিয়াউচি (উইকেটরক্ষক), রেও সাকুমানো-থোমাস, অ্যালেক্স শিরাই-প্যাটমোর (উইকেটরক্ষক), শোমা সুগায়া-স্লেটার, ডেকলান সুজুকি, সুয়োশি তাকাদা, ইব্রাহিম তাকাহাশি, মাকোতো তানিয়ামা ও লাচলান ইয়ামামোতো-লেক।
ওমান স্কোয়াড: সুফিয়ান মেহমুদ (অধিনায়ক), মুজাফফর শিরালকার (সহ-অধিনায়ক), ফারিস আল বালুশি, ভিসা আল বালুশি, মোহাম্মদ আল বালুশি, নাভেদ আল বালুশি, কায়েস আল বালুশি, শোয়েব আল বালুশি, ওয়াহিদ আল বালুশি, ওয়াসিম আল বালুশি, জুবায়ের আল বালুশি, আব্দুল জলিল (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ ওসমান, সমীর ওসমান ও আহমেদ আল জাদজালি।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/১১০































