স্পোর্টস ডেস্ক:: ফিফার বর্তমান সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে নিয়ে ‘বির্তক’র শেষ নেই। উয়েফার সদস্য দেশগুলো তার বিপক্ষে একজোট। সব শেষ বিশ্বকাপে নানা কারণে সমালোচিত এই ফুটবল কর্তা আবারো ফিফার নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন।
টানা চতুর্থবার তিনি ফিফার সভাপতি হতে চান। এটিই তার শেষ মেয়াদের জন্য প্রার্থী হওয়া। ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো এবারো কি জিতবেন ফিফার সর্বোচ্চ পদে? এনিয়েই এখন যত আলোচনা।
রোববার ফিফার পক্ষ থেকে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার বিষয়টি আবারও নিশ্চিত করা হয়েছে। ফিফার এক মুখপাত্র জানান, গত এপ্রিলে ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেননি। নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অঢেল আছেন তিনি। ২০১৬ সালে প্রথমবার ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো। ২০২৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর এবার আরও এক মেয়াদের জন্য লড়বেন তিনি। জয়ী হলে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নেতৃত্বে থাকবেন।
ফিফার ইভেন্টগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করেন ইনফান্তিনো। পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার সঙ্গে ফিফার সম্পর্কেও উত্তেজনা তৈরি হয়। বিশ্বকাপে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুরোধে একজন ফুটবলারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেও তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন। এরই মধ্যে তিনি আবারো নির্বাচনের কথা জানালেন।
এখন পর্যন্ত ইনফান্তিনোর একমাত্র সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন কনকাকাফ সভাপতি ও ফিফা সহ-সভাপতি ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ান। অন্যদিকে উয়েফা সভাপতি আলেকসান্দার চেফেরিন ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ফিফার ২১১ সদস্য ফেডারেশনের ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই ইনফান্তিনো আরও এক মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হতে পারবেন। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৮ নভেম্বর।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































