স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্বকাপ মানেই বাড়তি উত্তেজনা, নতুন তারকার উত্থান। নেইমার-মেসি, রোনালদোরা কৈশোরেই বিশ্বকাপে আলো কেড়ে কেছিলেন। সেই আলো উদ্ভাসিত বিশ্ব ফুটবল। আরো একটি বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে একদিন পরেই। এবারো তাই আলোচনায় আগামির তারকারা। যেসব বিস্ময় বালকেরা বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়ে বিশ্বকে কাঁপাবেন তাদের সংক্ষিপ্ত তালিকা থাকছে এই প্রতিবেদনে।
প্রতিটি বিশ্বকাপেই নতুন তারকার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ না কেউ আলো ছড়িয়েছেন। ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে ও পেলেরা কৈশোরেই বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন, শাসন করছেন বিশ্ব ফুটবলকে।
এই আসরে তাহলে কারা থাকবেন আলোচনায়? কারা ছড়াবেন আলো? আগামনী বার্তা দেবেনে কারা? আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তার সংক্ষিপ্ত একটি তালিকা।
এবারের বিশ্বকাপে তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে বড় তারকা হয়ে উঠতে পারেন স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামাল। ক্লাব ফুটবলে এরই মধ্যে আলো ছড়িয়েছেন, জাতীয় দলের জার্সিতে দিয়েছেন বিশেষ বার্তা। এবার তিনি মাতাতে চান বিশ্ব মঞ্চ। ফুটবলের এই বিস্ময় বালকের দিকে তাই নজড় থাকবে সবার। ১৬ বছর বয়সে জর্জিয়ার বিপক্ষে এক অসাধারণ গোল করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক করার পর থেকেই লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলে একজন অপরিহার্য খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন ইয়ামাল।
স্পেনের আরেক তরুণ তারকা পাউ কুবারসি। বাছাই পর্বে চারটি ম্যাচ খেলা ১৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় এখন দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার একজন অপরিহার্য সদস্য। বলের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ এবং পাস দেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।
সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়েও আছেন বিস্ময় বালকদের তালিকায়। শৈশবে তিনি ফ্রান্সের হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায় পর্যন্ত সব স্তরে খেলেছেন। এরপরই ডাক পড়ে সেনেগালে। ১৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় ‘লায়ন্স অব তেরাঙ্গা’র হয়ে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই গোল করে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হন এবং এরপর আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে তাদের যাত্রাপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফাইনালে তিনি একটি গোল করেন এবং দুটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন। তাই প্যারিস সেন্ট-জার্মেইর এই ফরোয়ার্ড ২০২৬ সালের নিজের দ্বিতীয় বড় টুর্নামেন্টে নিজের ছাপ রাখার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী থাকবেন।
মরক্কোর আইয়ুব বুয়াদ্দিও আছেন আলোচনায়। ফ্রান্সের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলা সত্ত্বেও এই গ্রীষ্মে একটি আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া আরেকজন ১৮ বছর বয়সী খেলোয়াড় হলেন আইয়ুব বুয়াদ্দি, যিনি টুর্নামেন্টের ঠিক আগে মরক্কোর হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে যোগ দিয়েছেন।
মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরাও আছেন নতুন তারকা হয়ে উঠার তালিকায়। ‘দ্য মেক্সিকান পেদ্রি’ ডাকনামে পরিচিত এই ১৭ বছর বয়সী খেলোয়াড়কে ২০২৫ গোল্ড কাপের নকআউট পর্বের জন্য তার দেশের প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় এবং হাভিয়ের আগুইরের দলের শিরোপা জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ক্রোয়েমিয়া লুকা ভুসকোভিচ নিঃসন্দেহে অন্যতম সেরা সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়।বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার খেলোয়াড়রা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ অভিযানে নামার সময় এডিন জেকোর প্রতিই সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখাবেন। কিন্তু কেরিম আলাজবেগোভিচের অবদান ছাড়া বসনিয়া হয়তো উত্তর আমেরিকায় আসতেই পারত না। এই ১৯ বছর বয়সী খেলোয়াড় মার্চ মাসে ওয়েলসের বিপক্ষে প্লে-অফ সেমিফাইনালে বেঞ্চ থেকে নেমে প্রথমে সমতাসূচক গোলে সহায়তা করেন এবং এরপর শুটআউটে জয়সূচক পেনাল্টি থেকে গোল করে ইতালির বিপক্ষে ফাইনালে তার দেশের জয় নিশ্চিত করেন।
এছাড়াও আছেন আছেন স্কটল্যান্ডের টাইলার ফ্লেচার ও অস্ট্রেলিয়ার লুকাস হ্যারিংটন। বিশ্বকাপে বাড়তি নজর থাকবে তাদের প্রতিও।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০
































